দার্জিলিং জেলায় ৭০টি টিম গঠন করে ভ্যাকসিন প্রদান
দি নিউজ লায়নঃ দার্জিলিং জেলায় ৭০টি টিম গঠন করে ভ্যাকসিন প্রদান। বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য আধিকারকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ প্রলয় আচার্য্য। চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ ও মকটেস্টের পর এদিন সবটা ঝাঁলিয়ে নেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা। জেলার সাত ভ্যাকসিন কেন্দ্রের জন্য ১৮,০০০ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন এসে পৌঁছচ্ছে।
উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সহ শিলিগুড়ি মহকুমার শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল,ফাঁসীদেওয়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দেওয়া হবে প্রথম পর্যায়ের ভ্যাকসিন। পাহাড়ে দার্জিলিং জেলা হাসপাতাল ও কার্শিয়াং স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে নির্ধারিত করা হয়েছে ভ্যাকসিনেসন কেন্দ্র হিসেবে। এদিন বৈঠকের পর জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ প্রলয় আচার্য্য জানান বুধবার গভীর রাত অথবা বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যেই সড়কপথে ভ্যাকসিন ভ্যানে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এসে পৌঁছবে।
২৯টি কোল্ড চেইনে ধরে কুলার রুমে সংগ্রহ করা হবে ভ্যাকসিন। সেখান থেকে ওয়াকিং কুলারে ভ্যাকসিন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হবে।১৬টি প্রথম পর্যায়ের টিকাকরন প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে সমতল ও পাহাড়ে ভ্যাকসিনেশন করা হবে। প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা হিসেবে জেলার সরকারী বেসরকারী চিকিৎসক ও সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী মিলে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত ১৫৯৯৭জন বলে জানান মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।তিনি বলেন টিকাপ্রাপকদের প্রথম ডোজের পর ২০দিনের মাথায় ফের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
সেই মোতাবেক ১৮০০০ ডোজ এসে পৌঁছেছে।তবে টিকাপ্রাপক স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর।চারজন ভ্যাকনেশন আধিকারিক ও একজন ভ্যাকসিনেটিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে থাকছে প্রত্যেকটি ভ্যাকসিন কেন্দ্রে। পুরো টিকাকরন প্রক্রিয়ার জন্য জেলায় ৭০টি পৃথক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের টিম তৈরি রয়েছে যারা প্রথম পর্যায়ের টিকাকরনে কাজ করবে।

Post a Comment