দেশের বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতি বিজড়িত স্থান জুড়ে যুবকদের উন্মাদনা তুঙ্গে - The News Lion

দেশের বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতি বিজড়িত স্থান জুড়ে যুবকদের উন্মাদনা তুঙ্গে

 


দি নিউজ লায়নঃ   ব্রিটিশ রাজত্বকালে দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে বার দুয়েক জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হয়ে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহাকুমার অন্তর্গত রঘুনাথগঞ্জে রাজনৈতিক সভায় এসেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। জঙ্গিপুরে এসে তিনি ভাষণও দেন। তাঁর স্মৃতি বিজড়িত সেই স্থানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মহাবীরতলায় সদরঘাট গঙ্গার পাড়ে গড়ে ওঠে নেতাজি সুভাষ শিশুপার্ক। বসানো হয় তাঁর আবক্ষ মূর্তিও। তবে, ওই পর্যন্তই অতীতের বাম আমল থেকে চলে আসা চরম অবহেলার কারণে আর অনাদরে এ পার্কে দেখা মেলে না কোনও পর্যটকের। 


আসে না কোনও শিশুর দল। বছরের বেশিরভাগ সময় বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে পার্কটি। তাঁর মূর্তিটিও অযত্নে পড়ে থাকে। এমনকি জন্মদিনেও মাঝেমধ্যে মেলেনা মালা কিংবা একটু শ্রদ্ধাঞ্জলি। ফলে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। সেই পরিস্থিতি বদলে দিতে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে দেশের বীর সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে  এবার স্থানীয় একটি ক্লাবের তরুণরা কাঁদে দায়িত্ব তুলে নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিল  শুক্রবার। রাত পোহালেই বীর সন্তান নেতাজির ১২৪ তম জন্ম শতবার্ষিকী। তার একদিন আগে এদিন মূর্তি সহ গোটা পার্কটিকে সাফ সুতরো করা হয়। জঙ্গিপুর পুর প্রশাসক মোজাহারুল ইসলাম বলেন, বামেদের অবহেলার কারণেই আজ এই অবস্থা। তবে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বছর কয়েক আগেই পার্কটিকে  সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে। 


তবে, এসবের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ এলে আবার পার্কটির সংস্কার করা হবে"৷জঙ্গিপুর ভাগীরথী নদীর পূর্বপাড়ে একেবারে গঙ্গার ধারে এক টুকরো জমিতে গড়ে উঠেছে সুভাষচন্দ্র বসুর নামাঙ্কিত শিশুদের পার্ক। তৎকালীন সময়ে ১৯৩৮ সালে গ্রীষ্মকালীন সময়ে পার্কটির  দাঁড়িয়ে জাতীয় কংগ্রেসের সভায় এসে তিনি ভাষণ দেন। পরবর্তীকালে তৎকালীন জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান দ্বিজপদ চট্টোপাধ্যায় সভাস্থলটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিশুদের জন্য পার্ক গড়ে তোলেন। সভাস্থলে দাঁড়ানো জায়গায় তাঁর একটি আবক্ষ মূর্তিও বসানো হয়।


 জঙ্গিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়েও তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তারপর, নৌকায় গঙ্গা পেরিয়ে পুর ভবনে যান। পরেব বছর ১৯৩৯ সালেও তিনি দ্বিতীয়বারের জন্য জাতীয় কংগ্রেসের সভায় জঙ্গিপুরে আসেন।স্থানীয় বাসিন্দা অর্ক দাস বলেন, সুভাষচন্দ্র বসু জঙ্গিপুরের মাটিতে পা দিয়ে স্থানীয় মানুষকে ধন্য করে গিয়েছেন। নেতাজির আদর্শ আরও বেশি করে এবং তাঁর অন্তর্ধান রহস্য দেশবাসীকে জানানো উচিত। তাঁর জন্মদিনটিকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক।এমন একটি বিশেষ জায়গা বছরের-পর-বছর চরম গাফিলতির মধ্যে পড়ে আছে এটা কোনমতে মানা যায় না এলাকার কিছু যুবক আজ এগিয়ে এসেছেন উদ্যোগ গ্রহণ করতে  সেটা প্রশংসনীয়"।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.