দাঁতনের এক সভায় শুভেন্দু অধিকারী কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিক্রম প্রধান - The News Lion

দাঁতনের এক সভায় শুভেন্দু অধিকারী কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিক্রম প্রধান

 


দি নিউজ লায়নঃ   সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন এক নম্বর ব্লকের চার নম্বর অঞ্চলের একামলি পুর  থেকে শরশঙ্কা পর্যন্ত পনের কিলোমিটার পদযাত্রা আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস।ওই আঞ্চলিক পদযাত্রায় সামিল হয়েছিলেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান ,তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এসটি সেলের জেলা সভাপতি ভদ্র হেমব্রম, তৃণমূল কংগ্রেসের দাঁতন এক ব্লকের সভাপতি প্রতুল দাস ও দাঁতন এক ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তরুণ দাস সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ওই পদযাত্রায় প্রায় সাত হাজার মানুষ শামিল হয়েছিলেন।ওই পদযাত্রা কে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ ছিল যথেষ্ট। পদযাত্রায় অংশ গ্রহণকারী সকলকে ফুল ছড়িয়ে সাধারণ মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।


 কেন্দ্রীয় সরকারের ভাওতাবাজি ও বিজেপির মিথ্যাচার ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ওই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল।শরশংকা এলাকায় পদযাত্রার শেষে এক সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন ।তিনি বলেন  কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এর কাছে কৃষি বিল বাতিলের দাবিতে যখন প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় দিল্লির বুকে কৃষকরা আন্দোলন করছেন তখন বিজেপি নেতারা বাংলায় এসে কৃষক প্রেম দেখাচ্ছেন। এটা ভাওতাবাজি ছাড়া অন্য কিছু নয় ।সারা ভারতবর্ষের মধ্যে বাংলা হলো অন্যতম যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছেন ।তাই বাংলার উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত  শুরু করেছে বিজেপি নেতারা।


বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা অপপ্রচার করছে বিজেপি। তাতে নবতম সংযোজন হচ্ছে তৃণমূলের খেয়ে দেয়ে বড় হয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন এর মতো বেইমান আর ভারতবর্ষে কেউ নেই। যিনি তৃণমূল থেকে বিজেপি দলে যোগদান করে বড় বড় কথা বলেছেন। এখন বিজেপিতে যোগদান করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা অপপ্রচার করছেন। উনি বলছেন নাকি ঝাড়্গ্রাম জেলা পরিষদ বিজেপি জয়লাভ করেছিল তাকে হারানো হয়েছে পুলিশ দিয়ে। তখন তো উনি ছিলেন তৃণমূলের জঙ্গলমহলের পর্যবেক্ষক তবে ওনার নির্দেশে হয়েছে। উনি তো বলেছিলেন বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত গঠন করলে উন্নয়নের জন্য টাকা দেবেন। আজকে চোরের মায়ের বড় গলা। আসলে জেল যাত্রা আটকাতে বিজেপি নেতাদের পায়ে ধরে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বাংলার মানুষ ওকে উপযুক্ত জবাব দেবে।


 উনি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে ভোটে  দাঁড়ালে ৫০হাজার ভোটে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারাবেন। হিম্মত থাকে তো উনি তাহলে  নন্দীগ্রামে  বিজেপির  হয়ে ভোটে  দাঁড়ান ভাববো উনার বুকের পাটা আছে। নন্দীগ্রামের মানুষ বেইমান শুভেন্দু অধিকারী কে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য এখন থেকেই তৈরি। নন্দীগ্রামের ইতিহাস সারা ভারতবর্ষের মানুষ জানে। নন্দীগ্রামের মানুষ অন্যায় কে কোনদিনও ক্ষমা করেনি এবং বেইমান মীরজাফরদের কোনদিনও  জায়গা করে দেয়নি। তাই উনার ক্ষমতা থাকে উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করে দেখাক। 


 আপনিজননেতা , উন্নয়নের প্রতীক , ভালো মানুষ তাহলে মানুষ  নিশ্চয় আপনাকে ভোট দিবে। তাই তিনি শুভেন্দু অধিকারী কে সরাসরি আহ্বান করেন আপনার ক্ষমতা থাকে পুনরায় নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারিয়ে দেখুন কত ধানে কত চাল হয়। সেই সঙ্গে তিনি সর্বস্তরের মানুষকে বলেন শান্তি উন্নয়নের জন্য আপনারা মমতার পাশে থাকুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের হাতকে শক্তিশালী করুন ।কারণ বাংলার গরিব মানুষের দরকার মমতার সরকার, মমতার সরকার রয়েছে বলে বিনামূল্যে চাল পাচ্ছেন ,ছেলেমেয়েরা সাইকেল পাচ্ছে, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়েছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে, গরিব মানুষ পাকা বাড়ি পাচ্ছে, তাই তিনি সর্বস্তরের মানুষকে মমতার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.