বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ - The News Lion

বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ

 


দি নিউজ লায়নঃ      বিজেপির  এক পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে  প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের  টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠলো। রবিবার এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এক উপভোক্তা হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও'র কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি তুলে সোচ্চার হয়েছে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব। 


যদিও বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্যের অভিযোগ,  তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগ , বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্য তার বুথেরই এক বাসিন্দাকে ভুল বুঝিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের জন্য কাটমানি নিয়েছেন।  এই নিয়ে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল । অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসুু । 


স্থানীয় এবং ব্লক প্রশাসন সূত্র জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত  ওই পঞ্চায়েত সদস্যের নাম লালু ওঁরাও। তিনি মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর ১ ব্লকের অন্তর্গত হরিশচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য। হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এই মুহূর্তে তৃণমূলের দখলে রয়েছে। অভিযোগ ওই পঞ্চায়েতেরই গড়গড়ি এলাকার এক বাসিন্দাকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ভুল বুঝিয়ে ২০ হাজার টাকা কাটমানি নিয়েছেন লালু ওঁরাও। এই মর্মে প্রশাসনের কাছে লালু ওঁরাও এর নামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা উর্মিলা ওরাও। 


অভিযোগ পত্রে ওই মহিলা লিখেছেন,  তাকে ভুল বুঝিয়ে কুড়ি হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।এমনকি টাকা না দিলে ঘর পাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। উর্মিলা ওঁরাও-এর স্বামী ভিন রাজ্যে কর্মরত। তিনি নিজেও দিনমজুরের কাজ করেন। ঘরে তাদের এক নাবালক ছেলে রয়েছে।এমত অবস্থায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন ওই দরিদ্র মহিলা।  অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন।


 অভিযোগকারী উর্মিলা ওরাও বলেন,"ঘর পাওয়ার জন্য সরকারি অফিসারদের টাকা দিতে হবে।এই বলে ভুল বুঝিয়ে ওই পঞ্চায়েত সদস্য তিন কিস্তিতে মোট কুড়ি হাজার টাকা নিয়েছে। উনি বলেছিলেন টাকা না দিলে ঘর পাওয়া যাবে না।আমার স্বামী বাইরে দিনমজুরের কাজ করে।আমরা দরিদ্র পরিবার। তাই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি যাতে ওই কুড়ি হাজার টাকা ফেরত পাই। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ  করেছে তৃণমূল। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক দাস বলেন," বিজেপির একাংশ নেতারা এভাবেই কাটমানির কথা বলে গরিব মানুষকে ঠকাচ্ছে। জিরো ব্যালেন্স একাউন্ট থেকে শুরু করে বিধবা ভাতার কাগজপত্র সবেতেই এরা কাটমানি নিচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 


হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসু বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.