দীর্ঘ অপেক্ষা, জল্পনার পর অবশেষে আজ শুরু হলো টিকা করণ
দি নিউজ লায়ন ; নানা স্বাস্থ্যপরিসেবা সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন হাসপাতাল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিযুক্ত বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি ছিলেন।স্থানীয় থানার ওসি, জেলা পুলিশের এসডিপিও, বিডিও, এসডিও, সার্কেল ইন্সপেক্টরের মতো বিভিন্ন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ছিলেন।দুই একটি হাসপাতালে স্ক্রীনের এর মাধ্যমে এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ভাষণ শোনানো হয়।
এগারোটা নাগাদ শুরু হয় ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই ঘটনা। , গতকাল বিকালে হাসপাতালেরই ইমিউনিসেশান রুমে বিশেষ তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছিলো। আজ প্রথম দিন হিসেবে দশটি ফাইল ব্যবহার করে 100 জনকে প্রতিষেধক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল হয়েছে। শনিবার সকালে প্রথম ভ্যাকসিন নিলেন কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার ডক্টর সোমনাথ ভট্টাচার্য ও দ্বিতীয় ভ্যাকসিনটি দেওয়া হয় ওই হাসপাতালের ই কর্মরত গাইনোলজিস্ট ডক্টর সঙ্গীতা রায়চৌধুরী কে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে প্রথম টিকা নেন শুভজিৎ মজুমদার।
শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালের গ্রুপ ডি সাফাই কর্মী তপন হাজরা, চতুর্থত সুপার ড: জয়ন্ত বিশ্বাস, সুকুমার ঘোষ টিকা নেন। প্রতিষেধক নেওয়ার আধঘন্টা তাদের উপর বিশেষ নজরদারি রাখেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তাগন। তবে দুপুর পর্যন্ত কোনো শারীরিক সমস্যার কথা জানা যায়নি ভ্যাকসিন নেওয়ার কারণে। আগামী সোমবার দ্বিতীয় দফায় টিকা দেওয়া হবে।
টিকা করন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে ভার্চুয়াল ভাবে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর নদীয়া জেলার দশটি টিকাকরণ কেন্দ্রের মতোই সারা রাজ্যে 204 টি টিকাকরণ কেন্দ্রের খোঁজখবর নেন। নদীয়া জেলার সদর, রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতাল, শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, কল্যাণী জে এন এম, নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, কালিগঞ্জ ,করিমপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, তেহট্ট র মতো দশটি এলাকায় প্রায় 80% স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায় বিশেষ সূত্র অনুযায়ী।

Post a Comment