নেতাই থেকেই শুরু হবে পেটাই, হুংকার ছাড়লেন মদন মিত্র
দি নিউজ লায়ন ; এবার রাজনীতির ময়দানে তেড়েফুড়ে নেমে পড়লেন মদন মিত্র। এদিন নেতাই থেকে হুংকার ছাড়লেন তিনি। বললেন, নেতাই থেকেই পেটাই শুরু হবে। বলেন, এবার শুধু খেলব না কোচিংও করাব। তিনি বলেন, রাতের বেলায় মশাল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করবো, ভয় নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে আছে। আপনারা ঘুমোতে যান।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে শুভেন্দু অধিকারী নেতাই গিয়েছিলেন ২০১১ সালের ঘটনায় সেখানকার নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এদিকে সেই কর্মসূচির পরেই সেখানে যান তৃণমূলের নেতারাও। ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্রের মতো হেভিওয়েটরা। মূলত এদিন মদন মিত্র নেতাইয়ের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে টার্গেট করেন।
এদিন মদন মিত্র শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে ফের বেইমান ও মীরজাফর বলে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন ২০১৪ সাল থেকে অমিত শাহের সঙ্গে পরিচয়ের কথা সে নিজেই স্বীকার করেছে। কিন্তু তার পরে এতদিন মন্ত্রী, একাধিক সংস্থার চেয়ারম্যান পদে থেকে তৃণমূলের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী তঞ্চকতা করেছেন বলে অভিযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সংস্থার চিঠি তাঁর কাছেও আসবে। কিন্তু তাতে তিনি ভয় পান না। ভয় পান শুভেন্দু অধিকারীর মতো লোকজন। আর তাঁরা বিজেপি নেতাদের পায়ে মাথা বিক্রি করে দেন।
মদন মিত্র বলেন, তিনি বিধায়ক ছিলেন, মন্ত্রী ছিলেন। যা তিনি এতদিন পেয়েছেন, তা তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তৃণমূলের কোনও নেতা যা কিছু করেছেন তার সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতেই বলে দাবি করেন তিনি।
মদন মিত্র দাবি করেন, সামনের বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি আসনের সবকটিই তৃণমূল পাবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, দল যদি তাঁকে বলে তাহলে তিনি শুধু ঝাড়গ্রাম নয়, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করবেন।

Post a Comment