আন্তঃজেলা চোরাই বাইক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার তিন - The News Lion

আন্তঃজেলা চোরাই বাইক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার তিন




দি নিউজ লায়ন ;    উত্তরবঙ্গের মালদার পর এবার দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া- পুলিশের জালে আন্তঃরাজ্য বাইক চোরাচালান চক্র। আন্তঃজেলা বাইক চোরাচালান আটকানোর ক্ষেত্রে  বড়সড় সাফল্য পেল বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর থানার পুলিশ। শুধু চোরাই বাইক পাচার কারীদের গ্রেফতার করাই নয় তাদের কাছ থেকে মোট ১৯ টি চোরাই বাইক উদ্ধার করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ।



এই বাইকগুলির মধ্যে বাঁকুড়া ছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, আলিপুর ও অন্ধ্র প্রদেশের বাইক রয়েছে। কোতুলপুর থানা সূত্রে জানা গেছে দিন কয়েক আগে কোতুলপুর থানার সীমানাবর্তী রামডিহা এলাকায় থাকা চেকপোস্টে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের নজরে পড়ে একটি নম্বর প্লেট বিহীন বাইক। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ বাইকটিকে থামিয়ে বাইক চালক সানোয়ার মোল্লার কাছে বাইকের নথিপত্র দেখতে চায়। 



কিন্তু সানোয়ার মোল্লা কোনো নথি দেখাতে না পারায় সন্দেহ আরো তিব্র হয়।  এরপর পুলিশ সানোয়ার মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করে।  জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করে ওই যুবক।  এরপরই পুলিশ নিশ্চিত হয় বাইকটি আসলে চোরাই বাইক।  এরপর পুলিশ সানোয়ার মোল্লাকে গ্রেফতার করে। 



পরে ওই যুবককে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে চোরাই বাইক পাচার চক্রের আরো দুই পান্ডার সন্ধান পায়। এরপর  পুলিশ ওই দুজনকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন গোপন ডেরায় হানা দিয়ে আরো ১৮ টি চোরাই বাইক উদ্ধার করে।



চোরাই বাইকগুলির আসল মালিকের নাম খুজতে গিয়ে দেখা যায় দুটি বাইক বাঁকুড়া, পাঁচটি পশ্চিম মেদিনীপুর, তিনটি পশ্চিম বর্ধমান,  একটি আলিপুর ও একটি বাইকের মালিক অন্ধ্রপ্রদেশের।  বাকি সাতটি বাইকের আসল মালিকের সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। বাঁকুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গ্রামীন) গনেশ বিস্বাস বলেন, উদ্ধার হওয়া বাইকগুলি দ্রুত আসল মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.