আন্তঃরাজ্য এটিএম লুট চক্রের মূল পান্ডা গ্রেপ্তার
দি নিউজ লায়ন ; আন্তঃরাজ্য এটিএম লুট চক্রের মূল পান্ডাকে মালদার রতুয়া থেকে গ্রেফতার করলো কালিয়াচক থানার পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রতুয়া থানার বাহারাল মোড়ে অভিযান চালায় কালিয়াচক থানার পুলিশের বিশেষ একটি দল। বাহারাল স্ট্যান্ডের কাছ থেকেই এটিএম লুটের মূল ওই চক্রিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এটিএম লুটের রাকেট দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছিলো ধৃত ওই ব্যক্তি বলে প্রাথমিক তদন্তে এমনটা জনতে পেরেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার ধৃতকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার জন্য মালদা আদালতে আবেদন জানিয়েছে কালিয়াচক থানার তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। পাশাপাশি জেলা পুলিশের এটা বড় সাফল্য বলেও দাবি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম ধরমবীর শর্মা। তার বাড়ি উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার যোশি থানার কচিকলোনি এলাকায়। গোটা দেশে পৃথক পৃথক ভাবে বিগত দিনে যত এটিএম লুট হয়েছে, তার পিছনে মূল মাথা হিসাবে ধৃত এই ব্যক্তি কাজ করে এসেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। বিভিন্ন রাজ্যে এটিএম লুটের রেকেট চালাত ধৃত ধরমবির শর্মা বলেও প্রাথমিক জেরাতে এরকমই বিভিন্ন তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ।
১৯ আগস্ট মাসে কালিয়াচক থানার সুজাপুরের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এটিএম থেকে প্রায় আট লক্ষ টাকা লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা। বিভিন্ন সূত্র ধরে এটিএম লুঠ কাণ্ডের মূল চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। তবে শুধু সুজাপুর নয়, মালদায় বিগত দিনে যত এটিএম লুঠ হয়েছে, তার পিছনে ধৃতের দলবল জড়িত রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে চাচোল মহাকুমার রতুয়া থানার বাহারাল মোড় গাড়ি ধরার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশের বিশেষ একটি টিম সাদা পোশাকে ওই এলাকায় অভিযান চালায় এবং অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। জেলার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, রতুয়া থেকে কালিয়াচক থানার পুলিশ এটিএম কার্ডের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে।
রতুয়া বাহারাল এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে কয়েকদিন ধরেই ছিল অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে সুজাপুরের এটিএম লুঠ কাণ্ডের পর থেকেই রতুয়াতে গা ঢাকা দিয়েছিল অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধরমবির শর্মা নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Post a Comment