উৎপাদন শুরু হতেই তুমুল জনপ্রিয় হলো বালুচরি মেখলা
দি নিউজ লায়ন ; বিষ্ণুপুরের বালুচরি তাঁতে পথ চলা শুরু করল বালুচরি মেখলা। ফি বছরের মতো চলতি বছরও পুজোয় বাঙালির হাতে নতুন কিছু তুলে দেওয়ার লক্ষে লক ডাউনের মাঝেই নিরন্তর গবেষনা চালিয়ে গেছেন শিল্পীরা। আর সেই গবেষনারই ফসল হিসাবে এবার বিষ্ণুপুরের বালুচরি শিল্পী অমিতাভ পালের তাঁতে উঠে এসেছে বালুচরি মেখলা। নতুন এই শাড়ি আসলে ট্র্যাডিশনাল বালুচরি ও আসামের মেখলার সংমিশ্রন।
হ্যান্ডলুম তাঁতা তৈরী রেশমের এই শাড়ির মোট তিনটি খন্ড। আপার, লোয়ার ও ব্লাউজ। তিনটি খন্ডকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরা যায় ইচ্ছেমতো। আপার ও লোয়ার অংশকে ইচ্ছেমতো পরে লুক দেওয়া যায় ভিন্ন ভিন্ন পোষাকের। নকশা অনুযায়ী দাম পড়বে ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। উৎপাদন শুরু হতেই বাজারে রীতিমত হটকেক হয়ে উঠেছে বালুচরি মেখলা।
পুজোয় যে এই শাড়ি রীতিমত বাজার কাঁপাবে তার আগাম আঁচও মিলছে। শুধু রাজ্যের বাজারেই নয় প্রবাসী বাঙালিদের কাছ থেকেও আসতে শুরু করেছে বরাত। চাহিদা মেটাতে বিষ্ণুপুরের বালুচরি তাঁতে জোরকদমে শুরু হয়েছে উৎপাদনও। বিষ্ণুপুরের বালুচরি শিল্পীরা বলেন, প্রতি বছরই পুজোর আগে বালুচরিতে নতুন কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করি। এবার বালুচরিতে তুলে আনা হল আসামের মেখলার ডিজাইন।
নাম দিয়েছি বালুচরি মেখলা। এই শাড়ি বিভিন্ন ভাবে পরা যেতে পারে। কেউ চাইলে পুজোর চারদিন একই শাড়ি চার রকম ভাবে পরে তাক লাগাতে পারবেন অন্যদেরও। উৎপাদন শুরু হতেই হুড়মুড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে বালুচরি মেখলা।

Post a Comment