১৫ সেপ্টেম্বরের ইতিহাস
ইতিহাস
৯৯৪- ওরেন্তেসের যুদ্ধে বাজেন্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ফাতেমীয়রা বড় ধরনের বিজয় লাভ করে।
১৬৫৬- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।
১৭৭৬- ব্রিটেন ম্যানহাটান দখল করে।
১৮১২- নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনী মস্কোর ক্রেমলিনে তাঁবু গাড়ে।
১৮১২- ফরাসি দখলদারি প্রতিহত করতে রুশরা মস্কোয় আগুন লাগিয়ে দেয়।
১৮২১- মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া ও কোস্টারিকা স্পেনের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৮৩৫- ভারতে মুদ্রণযন্ত্রকে সংবাদ পরিবেশনের কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে ‘লিবার্টি অব দ্য প্রেস অ্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৯৪- পিয়ং ইয়ংয়ের যুদ্ধে জাপানের কাছে চীন পরাস্ত হয়।
১৯১৬- বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মত ট্যাঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
১৯১৭- আলেকজান্ডার কেরেনস্কি রাশিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
১৯২৮- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
১৯৩৫- নুরেমবার্গ আইনের মাধ্যমে জার্মান ইহুদীদের নাগরিকত্ব বাতিল করে।
১৯৩৫- জার্মানীর স্বস্তিকাযুক্ত নতুন পতাকা চালু করে।
১৯৪৬- বুলগেরিয়া গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।
১৯৫২- জাতিসংঘ আফ্রিকার দেশ ইথিউপিয়াকে এরিত্রিয়া দান করে। পরবর্তীতে এরিত্রিয়া স্বাধীন হয়।
১৯৫৮- চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘ত্রাকোমি’ নামে চোখের বিপদজনক সংক্রামক রোগের ভাইরাস আবিস্কৃত হয় ৷
১৯৫৯- নিকিতা ক্রশেভ প্রথম সোভিয়েত নেতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।
১৯৮১- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু জাতিসংঘের সদস্য হয়।
১৯৮২- লেবাননের রাষ্ট্রপতি বাসির গামায়েল আততায়ীর হাতে নিহত হন।
১৯৮৯- পাকিস্তান কমনওয়েলথে ফিরে আসে ৷
১৯৯১- দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের মেসেডোনিয়া সাবেক ইউগোশ্লাভিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯১- বাংলাদেশে গণভোটে সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে গণ রায় প্রদান।
১৯৯৬- ক্রিকেটে বাংলাদেশ এসিসি ট্রফি জয় করে।
১৯৯৮- আমেরিকার টেলিকম্যুনিকেশন কোম্পানী ওয়ার্ল্ডকম ও এমসিআই যুক্ত হয়ে এমসিআই ওয়ার্ল্ডকম নামে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, যা ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সংযুক্তি (Merger)।
২০০৮- আমেরিকার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান লেহম্যান ব্রাদার্স দেউলিয়া ঘোষিত হয়, যা আমেরিকায় এযাবৎকালের বৃহত্তম দেউলিয়ার ঘটনা।
জন্ম
৭০৬- হযরত উতবা (রঃ), তিনি ছিলেন সিরিয়ার সর্বশেষ সাহাবী।
১২৫৪- মার্কো পোলো, তিনি ছিলেন ইতালির ভেনিস অঞ্চলের একজন বণিক ও বিখ্যাত পরিব্রাজক।
১৫০৫- মারিয়া, তিনি ছিলেন হাঙ্গেরির রানি।
১৭৮৯- জেমস ফেনিমোর কুপার, তিনি ছিলেন আমেরিকান সৈন্য ও The Last of the Mohicans খ্যাত লেখক।
১৮৫৭- উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্ট্, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম রাষ্ট্রপতি ও ১০ম প্রধান বিচারপতি।
১৮৭৬- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, তিনি ছিলেন জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
১৮৯৪- ঝাঁ র্যানোয়ার, তিনি ছিলেন ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯০৪- দ্বিতীয় উমবার্তো, তিনি ছিলেন ইতালির রাজা।
১৯১৬- কনষ্ট্যান্টিন ভারযিল গিওরগো, তিনি ছিলেন রুমানিয়ার খ্যাতনামা লেখক ও গবেষক।
১৯০৭- ফায় ওরায়, তিনি ছিলেন কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেত্রী।
১৯১৪- আডোলফো বিওয় কাসারইয়েস, তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার সাংবাদিক ও লেখক।
১৯২৯- মারি গেল-মান, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ।
১৯৩৭- রবার্ট এমারসন লুকাস জুনিয়র, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ।
১৯৪৬- অলিভার স্টোন, তিনি একাডেমী পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্য লেখক।
১৯৫৪- হ্রান্ট ডিঙ্ক, তিনি ছিলেন তুর্কি সাংবাদিক।
১৯৬৫- রবার্ট ফিকো, তিনি ছিলেন স্লোভাক রাজনীতিবিদ, অধ্যাপক ও ১৪ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭১- নাথান এসল, তিনি নিউ জিল্যান্ডের অলরাউন্ডার।
১৯৭৯- কার্লোস রুইজ, তিনি গুয়াতেমালার ফুটবলার।
১৯৮৮- চেলসিয়া কেন, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
মৃত্যু
১৮৫৯- ইসামবারড কিংডম ব্রুনেল, তিনি ছিলেন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গ্রেট পশ্চিম রেলওয়ে ডিজাইনার।
১৯২৬- রুডল্ফ ক্রিস্টোফ ইউকেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান দার্শনিক।
১৯৩৮- টমাস ওয়লফে, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক।
১৯৪৫- অ্যান্টন ওয়েবেরন, তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় সুরকার ও পথপ্রদর্শক।
১৯৭৩- ভিক্টর হারা, চিলির গায়ক, গীতিকার, কবি ও পরিচালক।
১৯৮১- হ্যারল্ড বেনেট, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা।
১৯৮২- বাসির গামায়েল, তিনি ছিলেন লেবাননের রাষ্ট্রপতি।
১৯৮৯- রবার্ট পেন ওয়ারেন, তিনি ছিলেন আমেরিকান কবি, লেখক ও সমালোচক।
২০০৬- নিতুন কুণ্ডু, তিনি ছিলেন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা।
২০০৮- স্টাভরস পারাভাস, তিনি ছিলেন গ্রিক অভিনেতা।

Post a Comment