মালদায় বাইক চুরি চক্রের মূল পান্ডা গ্রেফতার
দি নিউজ লায়ন ; মোটর বাইক চুরির তদন্তে করতে গিয়ে বড় ধরনের সাফল্য পেল গাজোল থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে পাঁচটি মোটর বাইক উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম জিয়াউল হক।
তার বাড়ি মালদা জেলার চাচোল থানাার জামালপুর এলাকায় । রবিবার রাতে ধৃত ব্যক্তি গাজোলের আলাল গ্রাম পঞ্চায়েতের রশিদপুর এলাকায় এক ব্যক্তির কাছে মোটরবাইক বিক্রি করার জন্য এসেছিলো ।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এরপরই মোটর বাইক চুরির অভিযোগে জিয়াউল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত জিয়াউল হক যে মোটরবাইকটি নিয়ে এসেছিলো, সেটি চোরাই মোটরবাইক। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য জানতে পারে। গাজোল এলাকায় পরপর চুরি যাওয়া বেশ কয়েকটি মোটরবাইক চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত ওই ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলেও জানতে পারে পুলিশ।
ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের পর একটি এলাকা থেকে আরো চারটি চোরাই মোটর বাইক উদ্ধার করে তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। এই অভিযানের সময় ওই বাইক চুরি চক্রের কয়েকজন দুষ্কৃতীরা গোপন ডেরা থেকে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তাদের খোঁজও শুরু করেছে গাজোল থানার পুলিশ। এদিকে ধৃত ব্যক্তিকে রবিবার মালদা আদালতের মাধ্যমে সাতদিনের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে জাদু থানার পুলিশ।
গাজল হাট এলাকার এক বাসিন্দা সুদীপ্ত রায় বলেন, গত ১২ আগস্ট আমার এক আত্মীয় তার বাবাকে রায়গঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন। হাসপাতালের সামনে মোটরবাইক রেখে বাবার সাথে দেখা করতে যায় ওই আত্মীয়। এরপর সেখান থেকেই তার মোটরবাইকটি চুরি যায় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
রবিবার জানতে পেরেছি গাজোল থানার পুলিশ মোটর বাইক চুরি চক্রের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ খবর জানতে পেরে গাজন থানায় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করি সেখানে চুরি যাওয়া মোটরবাইক কি দেখতে পাই। পুলিশ খুব ভালো কাজ করেছে আদালতের মাধ্যমে চুরি যাওয়া মোটরবাইক ফেরত দেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গাজোল থানার পুলিশ জানিয়েছে, মোটর বাইক চুরি চক্রের জিয়াউল হক নামের এক চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে মোট পাঁচটি মোটরবাইক । পুরো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Post a Comment