ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ার আত্মহত্যা! - The News Lion

ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ার আত্মহত্যা!




ঢাকা প্রতিনিধি ;  ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইমাম হোসাইন নামের এক পড়ুয়া। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি। গতকাল রবিবার দিবাগত রাত দুইটা ১৭ মিনিটে ফেসবুকে ‘আল-বিদা’ লিখে একটি পোস্ট দেন ওই পড়ুয়া। এরপর আজ তিনি আত্মহত্যা করলেন।



সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমাম হোসাইনের বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ইমাম হোসাইন কবি জসীম উদদীন হলে থাকতেন। কবি জসিম উদ্দীন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। সে তার গ্রামের বাড়িতে আত্মহত্যা করেছে।’




 ওই পড়ুয়া আত্মহত্যা করার আগের দিন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আল বিদা’ লিখে সঙ্গে ভাঙা লাভ ইমোজি জড়িয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তার আত্মহত্যার বিষয়ে পরবর্তীতে আঁচ করতে পারলেও কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু-বান্ধব তা প্রাথমিকভাবে বুঝতে পারেনি। তার একাধিক কাছের বন্ধুর কাছ থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন।




তার বিষণ্নতার কারণ জানতে চাইলে বন্ধুরা বলেন, ‘প্রেমঘটিত সমস্যার কারণে  ইমাম হোসাইন আত্মহত্যা করেছে। প্রেমিকার বাবা তাকে কটুকথা বলেছিল। পাশাপাশি তার প্রেমিকাও আগের মতো তার সঙ্গে সম্পর্ক জড়াতে চাইতেন না। এই কারণে ইমাম হোসাইন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।’




 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল মালেক বলেন, ‘আমি ঘটনার বিষয় একজনের কাছ থেকে শুনেছি। তবে কোনো আত্মীয়, শুভাকাঙ্ক্ষী আমাকে ঘটনার ব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি। তাই আমি এ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানি না। আমি সর্বোচ্চ খোঁজ-খবর নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’




এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। আমরা বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা এই বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়াতে আছি। সত্যি যদি এটি হয়ে থাকে তাহলে একটি মর্মান্তিক এবং সাংঘাতিক বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছে। আমাদের মেধাবী ছাত্রদের এখন বেঁচে থাকার সময়। এটি সত্যিই অনেক দুঃখজনক।’

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.