গাড়িতে করে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল তিনজন - The News Lion

গাড়িতে করে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল তিনজন




দি নিউজ লায়ন ;   সরকারের নীল বাতি লাগানো  গাড়িতে করে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল তিনজন। ধৃতদের থেকে ১৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৯ লক্ষ টাকা।



সাম্প্রতিককালে বারুইপুর জেলা পুলিশ  থেকে এত পরিমাণে গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়নি বলেই  জানা গিয়েছে। ধৃতরা হলেন, কৌশিক সামন্ত, জাহাঙ্গীর মোল্লা এবং গফ্ফর মোল্লা। তিনজনকেই বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হলে পুলিশ  হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।



পুলিশ  জানায় , বেশ কিছুদিন ধরেই দলটির উপর নজর রাখা হয়েছিল। কী ভাবে তাঁরা গাঁজা নিয়ে আসবে, সে সব খবরও আগাম ছিল পুলিশের কাছে। ওড়িশার জলেশ্বর থেকে বারুইপুর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এই তিনজনের। একটি গাড়িতে নীল বাতি এবং গভর্মেন্ট অফ ইন্ডিয়া বোর্ড লাগিয়ে সেখান থেকে রওনা দেন তাঁরা।  মোবাইল ট্র্যাক করে এই তিনজনের রুট জানতে পারেন অফিসাররা।




সেই মত কামালগাজির মুখে অপেক্ষা করছিলেন  বারুইপুর পুলিস জেলার স্পেশাল অপারেশন  গ্রুপের অফিসাররা।  সাথে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। পৌনে বারোটার দিকে এই গাড়িটি সেখানে আসতেই গার্ড রেল গার্ড দিয়ে আটকানো হয়। কিন্তু সেটি ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই রাস্তায় আড়া আড়িভাবে পুলিশ নিজেদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। এরপর আর পালানোর পথ না থাকায় শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যান ওই তিনজন।




এই ১৫০ কেজি গাঁজা বারুইপুরের শংকরপুরে আবিদ আলি নামে এক ব্যক্তির কাছে দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য পুলিস গিয়েছিল। কিন্তু  পালিয়ে যায়  ওই ব্যক্তি। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ইতিমধ্যে মূল সরবরাহকারীকে সাত লক্ষ টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বাকি দু লক্ষ টাকা অনলাইন পেমেন্ট করার কথা ছিল।




বারুইপুর পুলিশ জেলার সূত্রে খবর, এর আগে ১০০ কেজি পর্যন্ত গাঁজা ধরা হয়েছিল। কিন্তু এবার যে পরিমাণ ধরা হল, তা এক প্রকার রেকর্ড বলেই মনে করছেন পুলিস কর্তারা। কয়েক মাস আগে ত্রাণসামগ্রী মধ্যে করে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন কয়েকজন। এবার সরকারি গাড়ি মধ্যেই তা নিয়ে পাচারের উদ্দেশ্য কেন যাওয়া হচ্ছিল তা তদন্ত করছে পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.