ক্ষেতে ফলন কমেছে, নেই ফুল বিক্রি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ফুল চাষিদের মাথায় হাত - The News Lion

ক্ষেতে ফলন কমেছে, নেই ফুল বিক্রি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ফুল চাষিদের মাথায় হাত





দি নিউজ লায়ন ;   একটানা বর্ষা, তার উপর লকডাউন, সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  ফুল চাষিদের মাথায় হাত। একদিকে খেতে ফুল চাষে অতিবৃষ্টি, তারুপর করোনা আবহে হাতেগ্যাটে নেই টাকা পয়সা, ফলে ফুল চাষের সার কীটনাশক কিনতে সমস্যা। আর এসবের উপরে লকডাউনে। ফলে যাও ফুল চাষ হচ্ছে তা বিক্রি করার উপায় নেই।



সব মিলিয়ে বেকায়দায় রাজ্যের ফুলচাষীরা।  গাইঘাটা থানার   ধরমপুর পঞ্চায়েত এর  ইছাপুর গ্রাম। সেখানকার দুই ফুল চাষি মহাবুল মন্ডল ও কালাম মন্ডল জানালেন, আমাদের ১৫  বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছি। তবে  এই বছর ফুল চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  তার কারন আমফান ঝড়ে  ফুল গাছ মাটিতে পড়ে গিয়ে যেমন ক্ষতি হয়েছে, তার উপর  করোনার মহামারিতে লকডাউন এর প্রভাবে ফুল বিক্রি করতে পারছি না। এর উপর চলছে বৃষ্টি।


ফলে ফুল চাষের ভীষন ক্ষতি হয়েছে। ফুল  গাছের গোড়ায় জল জমে যেমন  গাছ মরে যাচ্ছে, তেমনি গাছে সেভাবে ফুল ফুটছে না। আমাদের  এক বিঘা ফুল চাষ করতে খরচা হয় ১৫,০০০ টাকা, সার ওষুধ, কীটনাশক    তার উপরে জনের দাম এই দিয়ে আমদের খরচা হয় এই পরিমান টাকা।  প্রথম দিকে কলকাতায় ফুল নিয়ে গেলে ৭০  থেকে ৮০  টাকা প্রতি কেজি দাম পাওয়া যেত।


এছাড়া  বা ঠাকুরনগর এ ফুল নিয়ে গেলে ৫০  টাকা থেকে ৬০ টাকা দাম পাওয়া যেতো। কিন্ত  এই লকডাউন এর জন্য কোথাও ফুল নিয়ে যেতে  পারছি না।  অগে পাইকাররা আসত ফুল কিনতে এখন সেটাও বন্ধ। কোনো পাইকাররা আসতে পারছেন না গ্রামে।


এখন যা দুই একজন আসেন  তারা ৫ টাকা কেজি দরে ফুলের দাম দিতে চায়। ফলে সংসার নিয়ে আমাদের পেটা চালানোই দায় হয়ে উঠেছে।  তার উপর ঋণ করে আমরা যারা ফুলের চাষ করেছি, আমরা তো ঋণের টাকাই শোধ করতে পারছি না। এই অবস্থা কি করে বেচে থাকবো তাই নিয়ে ভেবেই কুল কিনারা পাচ্ছি না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.