ভারীবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পশ্চিম থেকে উত্তর ও দক্ষিণ ভারত
দেশের পশ্চিম থেকে উত্তর ও দক্ষিণ ভারত বৃষ্টিবিধ্বস্ত। এদিকে আরও ভারীবর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে পূর্বভারতে। ওডিশা, উত্তরাখণ্ড, গুজরাতে পরিস্থিতি খারাপ। বিহারে বন্যাপরিস্থিতি শোচনীয়। ইণ্ডিয়া মিটি. রিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট বানিজ্যনগরী মুম্বই এবং থানের জন্য ইতিমধ্যেই কমলা সতর্কতা জারি করেছে। অতিভারী বৃষ্টিতে ভাসবে মুম্বই। প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
বিহারের বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আরও ১ লাখ ১৩ হাজার মানুষ ১৬ জেলায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বিধ্বস্ত হয়েছেন। মোট ক্ষতিগ্রস্ত ৮২.৯২ লাখ, এমনতাই জানিয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। প্রায় অনেক জায়গা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
অন্যদিকে গুজরাতে অতিবৃষ্টিতে অন্ততপক্ষে ১৩০ রাস্তা ও সড়ক বন্ধ হয়েছে। শনিবার ও রবিবার আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে মৌসম ভবনের তরফে। এদিকে উত্তরাখণ্ডের পিথোড়াগড় জেলায় অতিবৃষ্টির জেরে বাড়ি ভেঙে একজন ব্যাক্তি দু’জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি ভূমিধসে চারদিন আগে নিখোঁজ এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছে শুক্রবার।
উত্তর প্রদেশে ৮৭০টি গ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত। সরযূ নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে। নদীর উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক নদীর জল বাড়তে শুরু করেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহে একাধিক জায়গায় নদীর বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করেছে।
এমনকি উত্তরের জম্মু-কাশ্মীরও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। হরিয়ানার পালওয়াল এলাকা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রবলবর্ষণের কারণে জম্মু-কাশ্মীরের ২৭০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে। বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পঞ্জাব এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে প্রবলবর্ষণের কারণে। গোটা দেশে প্রবলবর্ষণ শুরু হয়েছে অগস্টের প্রথম থেকেই। দিল্লি থেকে কেরল সর্বত্র বৃষ্টি চলছে মুষলধারায়। কয়েকদিন আগেই কেরলে ভূমিধসে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। রাজধানী দিল্লিও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত।



Post a Comment