গণেশ চতুর্থীর রীতি
ওম গণ গনপতায় নমঃ মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয় গনেশ আরাধনা। আরতির থালায় সুগন্ধি ধূপ জ্বালিয়ে সূচনা করুন গনেশ পুজোর। তারপর পুরোহিত মন্ত্র পাঠ করে তাঁর মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন৷ এরপরই ধূপ, আরতির থালা, সুপুরি, পান পাতা, গনেশের জন্য নতুন পোশাক, চন্দন কাঠ দিয়ে বিশেষ পুজোর আয়োজন করুন৷ যেখানে ১৬টি পদ্ধতিতে গণেশকে প্রার্থনা করা হয়৷ গণেশের খুব প্রিয় লাড্ডু৷ তাই এই দিন ভক্তরা লাড্ডু পরিবেশন করেন৷
এছাড়া গুড়, নারকেল, ময়দায় তৈরি খাবার থালায় সাজিয়ে দেন৷ এছাড়াও মূর্তি স্থাপনের পর প্রয়োজন লাল ফুল, ২১টি দূর্বা ঘাস, মোদক, নারকেল, লাল চন্দন, ধুনো ও ধূপ৷ এরপর চন্দন কাঠের সামনে সাজিয়ে রাখুন পান পাতার ওপর সুপুরি। গণেশের কপালে লাল চন্দনের তিলক দিন৷ এরপর গনেশ মূর্তির সামনে নারকেল ভেঙে অশুভ শক্তিকে দুর করুন। গনেশের ১০৮ নাম জপ করুন। বেদোচ্চারণ, গায়ত্রী মন্ত্র ও গণেশের স্তোত্র পাঠের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন করুন পুজো৷ তারপর মূর্তির সামনে করজোরে প্রার্থনা করুন পরিবারের সুখ, সমৃদ্ধির জন্য।
জনমানসে প্রচলিত আছে গণেশ চতুর্থীর দিন চন্দ্রের দিকে তাকাতে নেই৷ এই নিয়ে একটি গল্প আছে৷ কথিত আছে কার্তিককে লুকিয়ে গণেশকে একটি ফল দিয়েছিলেন শিব৷ চন্দ্র সেটি দেখে ফেলে৷ এরপর শিব চন্দ্রকে অভিশাপ দেন চতুর্থীর দিন কেউ চাঁদ দেখবে না৷

Post a Comment