কাঁপছে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর মসনদ
রাজনৈতিক
সংকটে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। ভারতকে
কয়েকদিন আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। এরপর খোদ নিজের পার্টির অন্দরেই তিনি
একঘরে হতে শুরু করেছেন। টানা এক সপ্তাহ ধরেই কার্যত নেপালের প্রধানমন্ত্রীর আসন
টলমল করছে।
এমন পরিস্থিতিতে এদিন নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ মিটিং ঘিরে
একাধিক তথ্য উঠতে থাকে।এদিন কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ বৈঠক আয়োজিত হয়েছে নেপালের
কাঠমান্ডুতে। সেখানে পার্টি নেতা পুষ্পকমল দাহাল ও পার্টির অন্যতম মেরুদণ্ড তথা
দেশের প্রধানমন্ত্রী ওলির বৈঠক হয়।
কিন্তু ওলির মসনদ নিয়ে এই বৈঠকে কোনও নিশ্চিত
সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি কেউই।ভারতের সঙ্গে শত্রুতা বাড়ানোয় নেপালের
প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজের দল কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেই একঘরে হয়ে গিয়েছেন। তাঁর
পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে নেপালের বালুওয়াটারে কমিউনিস্ট পার্টির এদিনের বৈঠকে
ওলিকে দেখাই যায়নি। গোটা বৈঠকে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।
ওলিকে প্রধানমন্ত্রীর মসনদ ছাড়া করার জন্য নেপালের কমিউনিস্ট
পার্টিং একাংশ উঠে পড়ে লেগেছে। ওলির একের পর এক সিদ্ধান্তে .নেপালের কমিউনিস্ট
পার্টি ক্ষুব্ধ।
অন্যদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রীর
দাবি,
তাঁর
চেয়ার টলানোর নেপথ্যে রয়েছে ভারত। দিল্লির মস্তিস্ক প্রসূত কাজেই নেপালের
রাজনৈতিক সংকট বাড়ছে বলে দাবি নেপালের প্রধানমন্ত্রীর।এদিকে,
চিন
ও নেপাল সীমান্ত এদিন খুলে যায়। দুই দেশের মধ্যে এদিন থেকে শুরু হয়েছে ব্যবসা।

Post a Comment