ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের খপ্পরে এবার ঢালিউড তারকারা
ঢাকা প্রতিনিধি : মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাশুল জুন পর্যন্ত মওকুফ করেছিল বাংলাদেশের সরকার। তবে গতকাল মঙ্গলবারের মধ্যে এসব বকেয়া বিল দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন দেশটির বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
গত তিন মাসে প্রকৃত বিলের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বিল করা হয়েছে। সে সমস্যায় পড়েছে ঢাকাই শোবিজ অঙ্গনের তারকাশিল্পীরাও।
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তার শেষ বিলটি এসেছে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। গতকালই ছিল এটি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। তার আগের মাসেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৬ হাজার টাকা। যা আগে নরমাল বিল আসতো ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, নির্মাতা ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনও জানিয়েছেন তার বিদুৎ বিল বেশি হওয়ার কথা। এক ফেসবুকবার্তায় তিনি জানান, ৩ জনের ছোট সংসারে মে মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৯ হাজার ৮০১ টাকা।
ফেসবুকে শাওন লেখেন, আমি নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল দিই। গ্যাস বিল, পানির বিল, ফোন- ইন্টারনেট বিল সবই নিয়মিত দিই। এটা কোনো প্রশংসনীয় কাজ নয়, এটা দায়িত্ব। নিয়মিত বিল দিই মানে আমি আমার নাগরিক দায়িত্ব পালন করি।
নাগরিক দায়িত্ব পালন করে ঠিকমতো আয়কর দেওয়ার কারণে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের আমাকে পুরষ্কৃত করেছে! শ্রেষ্ঠ করদাতাদের তালিকায় অনেক সম্মানী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ছোট্ট করে আমার নামটাও লেখা আছে। এবার বোধহয় খেলাপিদের তালিকায় আমার নাম উঠতে যাচ্ছে। গতকাল মে মাসের বিদ্যুৎ বিল পেয়ে আমার এমনটাই অনুভূত হলো। আজ ৩০ জুন (গতকাল) নাকি এই বিল দেওয়ার শেষ দিন।
তিনি উল্লেখ করেন, ৩ জনের ছোট সংসারে আমার সাধারণ সময়ের বিদ্যুৎ বিল (জানুয়ারি : ৪,৬০৪/-, ফেব্রুয়ারি : ৫,৪৫৭/-) আর করোনাকালের (মার্চ : ৯,০৭০/-, এপ্রিল : ২০,৬৯৩/-, মে : ২৯,৮০১/-)।
চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাতও একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। গত মাসে তার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৯ হাজার ১০০ টাকা। তিনি জানিয়েছেন, সাধারণত তাদের বিল আসে ৬-৭ হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই এমন বিলের কারণ জানতে তিনি যোগাযোগ করেছেন বিদুৎ অফিসে।
অফিস থেকে জানানো হয়, করোনার কারণে মিটার দেখতে আসতে পারেনি তারা। তাই অনুমান করে এই বিল করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, এমন ভুতুড়ে বিলের সমস্যায় ভুগছেন শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাশিল্পী।

Post a Comment