সাপের কামড়ে মৃত্যু - The News Lion

সাপের কামড়ে মৃত্যু





বুধবার গভীর রাতে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় এক গৃহবধূর।মৃত গৃহবধূর নাম শালিমা বিবি(৪২)।ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থানা কুশবেড়িয়া গ্রামে।স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে কুশবেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা শালিমা বিবি বাড়িতে একা ছিলেন।




হঠাৎই শালিমা বিবির হাতে কামড় বসিয়ে দেয় একটি বিষধর কেউটে সাপ।তিনি পরিবারের সদস্যদের এবং পাড়ার লোকজনকে সাপের কামড়ানোর কথা জানায়।কিছুক্ষণ পরে শালিমা বিবির শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।ফলে তার অবস্থা আশাঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তার পরিবারের লোকজন সাপে কামড়ানোর কথা স্মরণ করে ঘরে মধ্যে সাপটি কে বিস্তর খোঁজাখুঁজি শুরু করে।





বেশ কিছুক্ষণ খোঁজার পর পরিবারের লোকজন সাপটি কে পেয়েও যায় এবং তৎক্ষণাদ বিষধর কেউটে সাপটি কে মেরে ফেলেন বাড়ির লোকজন।এরপর শালিমা বিবির পরিবারের লোকজন তাঁকে কোন চিকিৎসা কেন্দ্রে না গিয়ে ওঝা গুণিনের খোঁজ করতে থাকেন।ওঝা গুণিন খোঁজ করতেই বিস্তর সময় নষ্ট হয়।পাশাপাশি শালিমা বিবিও আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন।





অবস্থাও সংকটজনক হয়ে পড়লে,বিপদ আসন্ন বুঝতে পেরে আর এক মুহূর্ত দেরী না পরিবারের লোকজন বুধবার রাতেই  মরা সাপ ও শালিমা বিবি কে নিয়ে তড়িঘড়ি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে।মরা সাপ দেখামাত্র চিকিৎসা শুরু করেন  চিকিৎসকরা।চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।





ক্যানিং মহকুমা সর্প হাসপাতালের সর্পবিশেষঞ্জ চিকিৎসক সমরেন্দ্র মন্ডল বলেন কেউটে সাপ কামড়ালে মানুষের নার্ভকে অচল করে দেয়। কিন্তু সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে কোন অসুবিধা হয় না।রোগী সুস্থ হয়ে যায়।শালিমা বিবির ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাবে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।




অনেক বেশি সময় নষ্ট হয়েছে।ফলে এভিএস প্রয়োগ করা হলেও শালিমা বিবির শরীর সেই এভিএস গ্রহণ করতে অক্ষম হয়।যার জন্য মৃত্যু হয়েছে।সাপে কাটা রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হলে এমন দুর্ঘটনা ঘটতো না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.