কী কী ধরনের খাবার খেতে হবে ভাল থাকতে গেলে?
আমাদের রোজকার জীবন যাপনই বলে দিতে পারে বার্ধক্যে আমরা কতটা ভাল থাকতে পারি। আর এটাই সত্যি। এই যেমন ধরুন, কী খাচ্ছি, কতটা খাচ্ছি, কতটা কী পান করছি, ধূমপান করছি কি না ইত্যাদি প্রভৃতিই ঠিক করে দেয় বয়সকালে কেমন থাকব আমরা। শুধুমাত্র দৈহিক স্বাস্থ্যই নয়, এই অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল রাখতে সাহায্য করে অনেকখানি। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত এক্সারসাইজ এবং পরিমিত আহারই দিতে পারে এই সমস্ত চিন্তা থেকে মুক্তি।
কোনটা খাব বা কোনটা খাব না? কতটাই বা খাব?’ কঠিন প্রশ্ন। ঘরে ঘরে রক্তচাপ এবং মধুমেহর যুগে ১০০ শতাংশ মানুষই ঠিক মতো বুঝে উঠতে পারেন না। তাই চিকিৎসকদের সহজ সমাধান। এদেশের খাদ্যতালিকায় নয়। সুদূর গ্রিসের খাদ্যতালিকার দিকে একটু নজর দিন। আমেরিকার নতুন সমীক্ষা বলছে, এই প্রান্তের খাবারই হল ‘ডায়েট নম্বর ১’।
গত চার বছর ধরে মার্কিন মুলুকের এক গোষ্ঠী প্রায় হাজার দুয়েক অ্যালঝাইমার্স রোগীকে এই গ্রিসের খাবারই খেতে দিয়েছিলেন। তাতে সাড়াও মিলেছে ভাল। তার পর থেকেই চিকিৎসকরা বলছেন, দেহ এবং মনের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে মেডিটেরিয়ান মন্ত্রেই আস্থা রাখতে পারেন সাধারণ মানুষ। কী কী ধরনের খাবার খেতে হবে ভাল থাকতে গেলে?
ডায়াটেশিয়ানরা বলছেন, রান্নায় বাড়ান অলিভ অয়েলের ব্যবহার। খাদ্যতালিকায় রাখুন গুড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি। এই মেডিটেরিয়ান ডায়েটে কিন্তু বলে চিজ বা ঘি খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ নয়। তবে হ্যাঁ, মাত্রাতিরিক্ত কোনও জিনিসই ভাল নয়। তবে খাবারে কার্বোহাইড্রেট রাখা যাবে না কোনও ভাবেই। তাতে ভাত রুটিও ছেঁটে ফেলতে হতে পারে। সাদা চালের ভাত, ময়দার তৈরি খাবার না খাওয়াই ভাল। খাবারে রাখা যাবে না চিনির ছোঁয়া। বাজার থেকে কিনে কোনওরকম মিষ্টি খাওয়া কিন্তু এক্কেবারে চলবে না। বাড়ান সবুজ শাক সবজি খাওয়ার চল। গবেষকদের কথায়, এই তালিকা মেনে চলতে পারলেই কেল্লাফতে। আপনার মুশকিশ আসান হবে অনেকটা।
Post a Comment