৬ দফা দাবি নিয়ে বিজেপির স্মারকলিপি জমা
অরূপ অধিকারী ; সুটিয়া বিজেপি গ্রামীন মন্ডল-এর উদ্যোগে ও বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর-এর নেতৃত্বে ৬ দফা দাবি নিয়ে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিহির বিশ্বাস-এর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের নিরপেক্ষভাবে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য ও বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে বিজেপির এই ডেপুটেশন।
তাদের দাবি, পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বুথ-ওয়ারী সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তাদের আরও দাবি, পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নামের তালিকা থেকে বেছে বেছে বাদ দেওয়া নামগুলির অ্যাকাউন্টে অবিলম্বে অর্থবন্টন করতে হবে। তাদের আরও অভিযোগ, সুটিয়া অঞ্চল কার্যালয়ে নির্বাচিত বিরোধী সদস্য অথবা সদস্যাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বর্জন করতে হবে এবং তাদের নির্দিষ্ট সভা করে ব্যবস্থা করতে হবে।
এদিন সুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢোকার রাস্তায় বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা পথের মধ্যে বসে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখান। উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা বাবলু দাস, গ্রামীণ মন্ডল সভাপতি দিব্যেন্দু মন্ডল, সহ-সভাপতি কালিদাস দলপতি, কার্যকরী সদস্য গৌতম মন্ডল এবং গোবরডাঙ্গা পৌর মন্ডলের সভাপতি আশীষ ব্যানার্জি সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃবর্গ।
এদিনের প্রতিবাদ সভা থেকে প্রায় ২০০ জনের মত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সংসদ শান্তনু ঠাকুর। ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সাংসদ বলেন, আমাদের দাবিদাওয়া নিয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান চিন্তাভাবনা করে দেখবেন এবং নতুন করে সমীক্ষা করে দেখা হবে।
অন্যদিকে, সুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিহির বিশ্বাস বলেন, করোনা মোকাবিলায় গ্রাম পঞ্চায়েত সাধারণ মানুষের পাশে ছিল এবং আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যে তালিকা তৈরি হয়েছিল তাতে বিজেপি বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা তাতে স্বাক্ষর করেছেন। এখন তাঁরা এই অভিযোগ তুলছেন কেন ? আমরা সকলের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে রাজি।

Post a Comment