বিশ্বজুড়েই টিকটকের বন্ধের দাবি উঠল
ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এবার বিশ্বজুড়েই টিকটকের বন্ধের দাবি উঠল। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী টিকটক বন্ধের দাবি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুৱিতে প্রচার চালাতে দেখা যায় আন্তর্জাতিক হ্যাকার গোষ্ঠী 'অ্যনোনিমাসকে।
এদিকে এর আগে একাধিকবার টিকটকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। সূত্রের খবর, এদিনও গোপনীয়তা ও ব্যবহারকরীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালায় ‘অ্যনোনিমাস'।
এদিকে চিন-ভারত সংঘাতের আবহে দেশের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের কথা মাথায় রেখে ৫৯টি চাইনিজ অ্যাপকে নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। শেয়ার ইটা, ইউসি ব্রাউজারের মতো এই তালিকায় রয়েছে চাইনিজ সংস্থা বাইটড্যান্সের টিকটকও।
এদিকে চিন-ভারত সংঘাতের আবহে দেশের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের কথা মাথায় রেখে ৫৯টি চাইনিজ অ্যাপকে নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। শেয়ার ইটা, ইউসি ব্রাউজারের মতো এই তালিকায় রয়েছে চাইনিজ সংস্থা বাইটড্যান্সের টিকটকও।
এদিকে গোটা ভারতে ১২ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী ছিল ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটকের। সূত্রের খবর আইওএসের ১৪তম ভার্সনটিতে টিকটক ব্যবহারকারীদের ক্লিপবোর্ডের ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রাইভেসি ইস্যু লক্ষ্য করা যায়। তারপর থেকেই বিশ্বব্যাপী টিকটকের ব্যানের দাবি আরও জোরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন করোনা টীকার আর প্রয়োজন নেই, জানুন বিস্তারিত
যদিও টিকটক পরে জানিয়েছিল তারা আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাপল আইফোন ব্যবহারকারী ক্লিপবোর্ডগুলিতে অ্যাক্সেস করবে না। এদিকে বুধবার গভীর রাতে টিকটকের বিরুদ্ধে একটি টুইট করতে দেখা যায় হ্যাকার গোষ্ঠী ‘অ্যনোনিমাসকে'।
তারা সেখানে লেখে, " এখনই টিকটক ডিলিট করে ফেলুন। এটি মূলত একটি গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর জন্য চিন সরকার পরিচালিত একটি ম্যালওয়্যার। আপনার কোনও পরিচিতকে যদি এটি ব্যবহার করতে দেখেন তবে তাদেরকেও বোঝান"। তাদের দাবির সপক্ষে টিকটকের গোপনীয়তা লঙ্ঘন বিষয়ক কিছু প্রামাণ্য নথিও আপলোড করতে দেখা যায় তাদের।
প্রসঙ্গত এর আগেও একাধিকবার টিকটকের বিরুদ্ধে চিনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সামনে আসে।এদিকে ‘অ্যানোনিমাস' হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক হ্যাকার গ্রুপ। রাজনৈতিক কারণে সাইবার হামলা করার কারণে ইতিমধ্যেই তাদের নাম সারা বিশ্বে বহুল পরিচিত।
এই দলটি সাধারনত কোন ওয়েবসাইটে ডিনাইয়াল অভ সার্ভিস এর মাধ্যমে হামলা করে থাকে। ২০০৩ সালে এই দলটি সাড়া বিশ্বের কিছু ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দ্বারা গঠিত হয় বলে জানা যায়। অ্যানোনিমাসের সদস্যরা "অ্যানোন" নামে পরিচিত।

Post a Comment