দিদিকে আর বাঁচানো যাবে না, দিদির বিসর্জন হবেই, বললেন দিলীপ ঘোষ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে
বের হন না, তাই বলতে পারেন
না। তার যে চামচা বেলচা
আছে, তারা দিদির জয় বলে দিদিকে ডুবিয়ে দিচ্ছে। সবকিছু হাতের
বাইরে চলে গেছে। মঙ্গলবার সকালে কলকাতার বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরে প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়ে এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠুকলেন বিজেপির রাজ্য
সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
তিনি সকাল পাঁচটা কুড়ি মিনিট নাগাদ
বেলেঘাটা সুভাষ সরোবর
পৌঁছন এবং সেখানে স্থানীয় বেশ কিছু
বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং স্থানীয় মানুষ নিয়ে যোগ অভ্যাস সারেন। পাশাপাশি এই মুহূর্তে অর্থাৎ করোনা
ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনি বেশ কিছু টোটকা দেন এবং যোগাভ্যাস করার কথা বলেন। সাড়ে সাতটা নাগাদ যোগ অভ্যাস সেরে তিনি
ফুল বাগান মোড়ে
চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন তিনি।
তিনি জানান, করোনা ভাইরাস নিয়ে আরো সতর্ক
হওয়া উচিত। যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন জুলাই
মাসে সংক্রমন আরও বাড়বে।রাজ্যে লকডাউন ঠিকমতো হয়নি। কন্টেনমেন্ট কোথায় হলো সেটাও
দেখা গেল না। সরকারকে এই ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে আরো কড়াকড়ি পদক্ষেপ নিতে হবে।
রেল, বিমান বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি জানান
সংক্রমণের ক্ষেত্রে রেল, বিমান বন্ধ আছে ঠিকই। তবে রিভিউ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। রাজ্য সরকার সবাইকে কাজে যোগদান করতে বলছেন অথচ পরিবহন বলে কিছুই
নেই সেক্ষেত্রে সমস্ত কিছু আলোচনা করতে
হবে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ
থেকে ৬৫ বছরের
বৃদ্ধদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য
বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ
বলেন, দিদিমণি কখনও
বলছেন ইভিএম নয় ব্যালট চাই। সরকারি সুরক্ষা কর্মী, পুলিশকর্মী সবাই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়। বয়স্কদের ভাইরাসের সংক্রমনের হার সবচেয়ে বেশি। তাই তাদের যেন ভোট দিতে ভিড়ে যেতে
না হয় সেই জন্য পোস্টাল ব্যালটের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু উনি ভয় পাচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে গেছে। হারজিত জনগণের ওপর।
আমফান ঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের টাকা সবাই পাবেন কেউ বঞ্চিত হবেন না গতকাল বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ
ঘোষ জানান, এটা বলতে এত সময়
লাগে। চুরি
করে তো সাবাড় করে দিয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে
বের হন না তাই বলতে পারেন
না আর তার যে চামচা বেলচা
আছে দিদির জয় বলে দিদিকে ডুবিয়ে দিচ্ছে সবকিছু হাতের
বাইরে চলে গেছে। পুলিশ শিক্ষা স্বাস্থ্য কোন
কিছুই করার
নেই। দিদি
ভালো
দিদির অনুপ্রেরণায় সব হয়েছে বলে শ্লোগান তুলছেন দিদির চামচা বেলচারা। তবে দিদিকে আর বাঁচানো যাবে না। দিদির বিসর্জন হবেই।

Post a Comment