চিনকে শিক্ষা দিতে ভারতের পাশে হাত বাড়ালো ইজরায়েল
চিনের সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে ভারত। সুত্রের খবর, সীমান্ত উত্তেজনার আবহেই ভারতে শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠাতে পারে ইজরায়েল। এছাড়া নজরদারি চালানোর জন্য হেরন ড্রোনও ভারতে আসতে চলেছে বলে খবর।
চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের এই আবহে ইজরায়েল থেকে আরও ক্ষমতাশালী স্পাইস-২০০০ বম্ব কেনার কথা আগেই জানিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। এই বম্বগুলি বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। স্পাইস কথাটির অর্থ হল স্মার্ট, প্রিসাইজ ইমপ্যাক্ট, কস্ট এফেক্টিভ।
ইজরায়েলি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের শক্তির তারিফ করে সারা বিশ্বই। ইজরায়েলি প্রযুক্তিতে তৈরি সশস্ত্র হেরন ড্রোন লাদাখ সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে। পাশাপাশি, ইজরায়েলি স্পাইডার মিসাইলও রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর হাতে। এর পাশাপাশি এবার অ্যান্টি ট্যাঙ্ক স্পাইক মিসাইলও যোগ হতে চলেছে ভারতীয় অস্ত্রাগারে। এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তবে সীমান্ত সংঘাতের এই পরিস্থিতিতে স্পাইডার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের সঙ্গেই অন্যান্য প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম ইজরায়েল পাঠাতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে কিছু জানানো হয়নি। এই ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ২০০৮ সালে চুক্তি হয় ইজরায়েলের সঙ্গে। ২০১২ সাল থেকে এই মিসাইল সিস্টেম ভারতীয় বাহিনীর হাতে আসতে থাকে। ২০১৭ সালে প্রথম এই মিসাইল সিস্টেমের টেস্ট করা হয়।
এছাড়া ইজরায়েলি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে। ইজরায়েলি অ্যারোস্পেসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইলের প্রযুক্তিতে আধুনিকীকরণ করেছে ডিআরডিও। এই মিসাইল সিস্টেম ও তার ১৬টি ফায়ারিং ইউনিটের জন্য ইজরায়েলের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল ২০০৯ সালে।
চলতি বছরেই এই মিসাইল সিস্টেম ভারতের হাতে আসার কথা ছিল। এই মিসাইল সিস্টেমে রয়েছে কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম, ট্র্যাকিং রাডার, মিসাইল ও মোবাইল লঞ্চার সিস্টেম। ৪.৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ২৭৬ কিলোগ্রাম ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, সশস্ত্র ড্রোনকে টার্গেট করতে পারে।

Post a Comment