তৃনমূলের ভার্চুয়াল জনসভায় মানুষের ঢল মিনাখাঁর বামনপুকুরে
রাজ্য জুড়ে পালিত হলো ২১ জুলাই। দলনেত্রীর নির্দেশে রাজ্যের সর্বত্র ভার্চুয়াল সভা করে শহীদ দিবস পালন করলো তৃনমূল কংগ্রেস।
এই ভার্চুয়াল সভা থেকে বাদ যায়নি বসিরহাটের মিনাখাঁ ব্লকের বামনপুকুর পঞ্চায়েত । এদিন বামনপুকুর পঞ্চায়েত প্রধান জিয়ারুল হক মোল্লার তত্ত্বাবধানে টাপলা কুশাংরা গ্রামে সগৌরবে পালিত করা হলো ২১ শের শহীদ দিবস।
একুশের শহিদ তর্পণ মঞ্চ কখনও হয়ে উঠেছে বাম জমানা অবসানের সংকল্প মঞ্চ আবার কখনও বা পরিবর্তনের অনুপ্রেরণার। ২০১১-এর পর শহিদের স্মৃতি জড়ানো এই মঞ্চেই হয়েছে বিজয় সমাবেশ। আবার এই মঞ্চ থেকেই কেন্দ্রে বিকল্প সরকার গড়তে দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু করোনা অবহে এবার ছবিটা একদম ব্যতিক্রমী, ভিড়ে ঠাসা সভার বদলে বুথ স্তরে ভার্চুয়াল জনসভা।
১৯৯৩-এর 'নো আইডেন্টিটি, নো ভোট' এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে রাইটার্স অভিযান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রদেশ যুব কংগ্রেস। পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ১৩ জন তরতাজা যুবক। শহিদের স্মৃতি তর্পণে ১৯৯৪ থেকেই শুরু হয় একুশে জুলাইয়ের জনসমাবেশ।
এবছরে টাপলা কুশাংরা বুথে দুপুর একটায় দলীয় পতাকা উত্তলনের পর সরাসরি দলনেত্রীর ভাষন শোনেন এলাকার সাধারণ মানুষ। তার সাথে সাথে লকডাউনে মানুষের আর্থিক অভাবের কথা মাথায় রেখে বামনপুকুর পঞ্চায়েত প্রধান জিয়ারুল হক মোল্লা সাধারণ মানুষের দুপুরে খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্ত করে।

Post a Comment