আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মিনাখাঁবাসীর পাশে ঊষারানি মন্ডল
অরিন্দম হরি ; গত ২০ মে আমফান ঝড়ে প্লাবিত হয় বসিরহাটের হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি, সহ মিনাখাঁ ব্লকের একাদিক গ্রাম। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার এলাকা নদী বাঁধ ভেঙে ভাসিয়েছে গ্রামের বাড়ি, ঘর, মাছের ভেড়ি, মাঠের ফসল। সেরকমই এক গ্রামের নাম মিনাখার মোহনপুর অঞ্চল। নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে মোহনপুরের বেশ কিছু গ্রাম। ঘরছাড়া হয়েছে বহু গ্রামবাসী।
ঝড় পরবর্তি প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে আসে মিনাখাঁর বিধায়িকা উষারানী মন্ডল ও মিনাখা বিধানসভার চেয়ারম্যান মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় কমবেশি ২০ থেকে ২৫ জায়গায় নদী বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মোহনপুরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যাধরী নদী। হরিনহুলা, মোহনপুর, চন্ডিবাড়ি, কালিবাড়ি, ট্যাংরামারি, বড়োবাড়ি এলাকা বিদ্যাধরীর জলে প্লাবিত হয়।
আরও পড়ুন অন্ধ প্রতিবন্ধী মানুষজনদের পাশে ক্যান্টনমেন্টের নলদা অরিন্দম ওয়েলফেয়ার সোসাইটি
স্থানীয় বাসিন্দা রেখা মণ্ডল, তনুশ্রী মন্ডল, জ্যোৎস্না মন্ডল শোনালেন সেই করুণ কাহিনী। তারা জানায় আমফানের পর প্লাবিত এলাকায় একদিকে মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙে অন্যদিকে খাদ্যের হাহাকার শুরু হয়। সেই অবস্থায় ঘটনাস্থলে পৌছায় বিধায়িকা এবং।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সাথে সাথে বিধায়িকার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মানুষের কাছে পৌছে দেয় ত্রান। কয়েক গাড়ি ত্রাণ পাঠায় বিধায়িকা উষারানী মন্ডল। এর সাথে একই সাথে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্ত বাধ মেরামতির কাজ।
দ্রুততার সাথে শেষ হয় বাঁধ মেরামতির কাজ, মানুষের দুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটিয়েছে বিধায়িকা তাই গ্রামবাসীরা অবশেষে ধন্যবাদ জানায় বিধায়িকা উষারানী মন্ডলকে। স্থানীয় নেতৃত্ব পরিতোষ মন্ডল, তপন রায় বলেন মা মাটি মানুষের সৈনিক হিসাবে বিধায়িকার নির্দেশ পালন করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।

Post a Comment