বারুইপুর বাইপাশের সংস্কারের কাজের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী
পাওনা ৫৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। আমফান পুনর্নিমানেও মাত্র ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়া বাকি সব খরচই বহন করতে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে রাজ্যের। তাছাড়া সরকারের রেভিনউ কালেকশানও তলানিতে ঠেকেছে।
সেই অবস্থাতেও বারুইপুর বাইপাশের সংস্কারের কাজের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে রাজ্যের অর্থ দপ্তর। তাই অর্থ মন্ত্রী অমিত মিত্রকে ধন্যবাদ জানাই। সোমবার বারুইপুর বাইপাশের সংস্কারের কাজের শিলান্যাস করতে এসে এই কথা বলেলেন রাজ্যের পুর মন্ত্রী ববি হাকিম।
এদিন তিনি কামালাগাজি মোড় থেকে বারুইপুর বাইপাশের সংস্কারের কাজের শিলন্যাস করে বলেন, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময় এই বাইপাশের সাত কাটা জমি আটকে ছিল। তখন এসে কথা বলে সেই জট ছাড়িয়ে বাইপাস তৈরি করা হয়। কিন্তু এই কয়েক বছরে বাইপাসের ধারে বড় বড় বহুতল তৈরি হওয়ায় ভারি লরি যাতায়াতের ফলে এই রাস্তার ভগ্ন দশা তৈরি হয়েছে।
বিধায়ক ও বিধানসভার স্পীকার বিমান ব্যানার্জী এই রাস্তার সংস্কারের কথা বার বার বলতে থাকেন। বিষয়টি অর্থমন্ত্রীর কাছে জানিয়ে ছিলাম। অর্থ মন্ত্রী অমিত মিত্র সরকারের এই অবস্থাতেও ওই কাজের জন্য ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।
এই কঠিন সময়েও সরকার এই কাজের জন্য টাকা বরাদ্দ করবে ভাবিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বার বার বলেন, কাজ করে যাও। কাজ করার ভাবনা থাকলে উপায় বের হবে। তাঁর সেই কথার ওপর ভর করেই এই কাজ শুরু করা হচ্ছে। বাইপাসের ১৪ আপ এবং ১৪ ডাউন মিলিয়ে মোট ২৮ কিলোমিটার রাস্তার সংস্কারের কাজ হবে। সঙ্গে থাকছে নিকাশী ও আদি গঙ্গার দুপাড়ে সৌন্দার্যায়ন।
তাছাড়া বেশ কিছুটা বিদ্যুৎ স্তম্ভের কাজও করতে হবে। একবছর এই কাজের সময়সীমা বাঁধা হলেও আশা করব দ্রুত কাজ শেষ করা হবে। ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন পুর মন্ত্রী। মাস্টিক এসফল্ট দিয়ে রাস্তা তৈরি হবে।পাশে ড্রেন হবে।জল যাতে রাস্তাকে নস্ট না করে।

Post a Comment