রাজ্যে ডায়মন্ড সিস্টেমে আক্রমণ শাণাচ্ছেন বিরোধীরা
রাজ্যে করোনা আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ চড়তে আরম্ভ করে দিয়েছে। একদিকে করোনা সংকট অন্যদিকে আম্ফান সংকট। এই দুই কে হাতিয়ার করে রাজ্যের বিরোধী শিবির রাজ্যের শাসক দল তৃনমূলকে কোণঠাসা করতে মরিয়া। মূলত রাজ্যের অন্যতম বিরোধী শক্তি বিজেপি অনেকটাই সেই অমল দত্তের ডায়মন্ড সিস্টেম ফুটবলের মতই একযোগে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে শুরু করে দিয়েছে।
একই সঙ্গে জেলা এবং কলকাতা সর্বস্তরে শাসকদলের বিরুদ্ধে কখনো বিক্ষোভ প্রদর্শন কখনো অবস্থান বিক্ষোভ আবার কখনো আইন অমান্য কর্মসূচি নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে। তারা মূলত শাসক শিবিরের নিচুতলার নেতাদের দুর্নীতি এবং ত্রাণ ব্যাবস্থার অনিয়ম ও করোনা চিকিৎসার অব্যাবস্থাকে হাতিয়ার করে একযোগে আক্রমনের পারদ চড়াতে শুরু করে দিয়েছে।
যার ফলশ্রুতিতে শাসক শিবিরের অবস্থা অনেকটাই দিশেহারা। বিজেপির একদিকে দিল্লি নেতাদের রণকৌশল অন্যদিকে রাজ্য স্তরের গেরুয়া শিবিরের ক্রমাগত আন্দোলন। যা সামাল দিতে দিশেহারা অবস্থা শাসকের। মূলত বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দেওয়ার মত অন্যতম নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং গুটিকয়েক হেভিওয়েট নেতা ছাড়া শাসক দলে সেভাবে কাউকে দেখা যাচ্ছে না।
ফলে গেরুয়া শিবির এবং রাজ্যের অন্য দুই বিরোধী শিবির কংগ্রেস এবং সিপিএম অনেকটাই একযোগে শাসককে কোণঠাসা করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। এই অবস্থায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা এবং তাদের জনমুখী কর্মসূচিকে মানুষের সামনে তুলে ধরাই এখন শাসক শিবিরের অন্যতম টার্গেট। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের আগে বিরোধীদের সমস্ত অভিযোগকে যদি খন্ডন করে সমূচিত জবাব না দেওয়া যায় তাহলে তার প্রভাব পড়বে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে।

Post a Comment