সূর্যগ্রহণে কি খাবেন আর কি খাবেন না
শুরু হয়ে গিয়েছে সূর্যগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে সকালেই নামে সন্ধ্যা। আর এই দৃশ্য স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে উত্তর ভারত থেকে। আকাশে মেঘ কাটলে বেশ কিছুক্ষণ সেই দৃশ্য দেখা যেতে পারে। সূর্যের আলো কমার ফলে অনেক ক্ষেত্রে তারাও দেখা যায়। তবে সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ৷ প্রকৃতির এই দুই ঘটনাকে ঘিরেও নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷
কথিত আছে, সূর্যগ্রহণের সময় কোনও খাওয়ার খেতে নেই৷ কিন্তু কেন? জানেন? এই গ্রহণ চলাকালীন বেশ কিছু নিয়ম জারি রয়েছে৷ গ্রহণ চলাকালীন খেতে নেই, বাইরে বের হতে নেই৷ এমনকি গর্ভবতী মহিলাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম কানুন মানতে হয়৷ কিন্তু এগুলি নিছক কুসংস্কার নাকি এর সঙ্গে কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ জড়িত রয়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া সূর্যের উপরে পরে৷ আবার চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো চন্দ্রের উপর পরে৷ কিন্তু পৃথিবীর ছায়া চন্দ্রের উপর পতিত থাকে বলে চন্দ্রের উপর সূর্যের পতিত আলোর প্রতিফলন কিরন পৃথিবীতে আসে না৷ কিন্তু সূর্যের পতিত আলোর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে৷ সেই কারণে চাঁদকে আমরা লাল দেখি৷ সেই সময়ে প্রচুর পরিমাণে বিকিরন পৃথিবীর উপর এসে পরে৷ যা মানুষের শরীরের উপরে বিপুল পরিমাণে প্রভাব পরে৷ এই বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রমাণিত৷
তাই গ্রহণের সোজাসুজি চাঁদ কিংবা সূর্যের দিকে তাকাতে নেই৷ সূর্যগ্রহণের থেকে চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম হয়৷ কিন্তু এর ক্ষতিকারক প্রভাব কিন্তু কম নয় কোনও অংশেই৷ চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ প্রকৃতির খুবই সাধারণ একটি বিষয়৷ তবু বলা হয়ে থাকে, এই সময় খাওয়ার রান্না করতে নেই কারণ তার মধ্যে তাহলে বিষক্রিয়া তৈরি হয়৷ এই কারণে হয় গ্রহণের আগে নয়তো গ্রহণের পরে খাওয়ার তৈরির একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে৷ তবে বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, এই সময় প্রচুর পরিমাণে জল আর হালকা খাওয়ার খান৷ ফল এবং শাকশব্জি খান৷ যা সহজেই হজম হতে পারে৷
Post a Comment