সত্তরোর্ধ্ব গীতা প্রামানিক সুদূর কৃষ্ণনগর থেকে শুধুমাত্র গঙ্গায় নিজের প্রাণ বিসর্জন দেবেন বলে আজ দুপুর ১ টা নাগাদ ঝাঁপ দেন গঙ্গায়। লঞ্চের চালক বীরেন মজুমদার এবং মাছ ধরতে আসা জুয়েল হাওলাদার তাকে ভেসে যেতে দেখে ডাঙ্গায় তোলেন। এর পরই দেখা যায় বৃদ্ধার গলার সাথে একটি প্লাস্টিকের যার বাধা ছিল।
বেশিরভাগ আত্মহত্যার ক্ষেত্রে এই ধরনের পাত্র জলমগ্ন হয়ে গিয়ে ডুবে যায়, কিন্তু এক্ষেত্রে যারের মুখ দিয়ে জল না ঢোকায় বৃদ্ধা মাঝ গঙ্গায় পৌঁছে গেলেও ডোবার বদলে ভেসে থাকে বেশ খানিকক্ষণ।
আরও পড়ুন আজ অমরীশ পুরীর জন্মদিনে রইল শ্রদ্ধার্ঘ্য
বেঁচে যাওয়া বৃদ্ধা বলেন দীর্ঘ ৩০ বছর আগে পরিচারিকার কাজ করে স্বামী এবং একমাত্র কন্যাকে ভরণ পোষণ করতেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর কন্যা পুটি কে বিয়ে দেন ক্ষৌরকার গোবিন্দ শীলের সাথে। মেয়ের বাড়িতেই অতি কষ্টেই চলছিল সংসার, লকডাউনে কর্মহীন অবস্থায় কিছু না বললেও অভিমানি বৃদ্ধা নিজেকে সংসারের বোঝা মনে করে জালালখালি বাড়ি থেকে সোজা শান্তিপুরের গঙ্গায় পৌঁছান এবং গঙ্গায় ঝাঁপ দেন।
বর্তমানে ওই বৃদ্ধা শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে পরিবারের সাথে।

Post a Comment