জেনে নিন পঞ্চম দফার লকডাউনে কি চায় রাজ্যগুলি
চতুর্থ দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হতে চললেও এখনও পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে লাগাম পড়ার কোনো ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে না। বরং অভিবাসী শ্রমিকরা নিজেদের রাজ্যে ফিরে যাওয়ায় সেই সংখ্যা আরও বাড়ারই আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু তা বলে লকডাউনের মেয়াদ শুধু বাড়িয়ে যে দেশে অর্থনীতি যে আরও তলানিতে ঠেকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বৃহস্পতিবারই বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। লকডাউন নিয়ে তাদের অভিমত জানতে চেয়েছেন তিনি। সেখানে বেশির ভাগ রাজ্যই কনটেনমেন্ট জোনে কড়াকড়ি জারি রাখার জন্য সওয়াল করে বাকি অঞ্চলে তা অনেকটাই শিথিল করার দাবি করেছে। চতুর্থ দফার লকডাউনে এমনিতেও প্রচুর ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ বার সেই ছাড়ের ব্যাপ্তি আরও বাড়ানো হতে পারে বলে কেন্দ্রের তরফেও ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।
কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে আরও বাজার খোলা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও গতি আনা, আন্তঃরাজ্য এবং আন্তঃজেলা বাস পরিষেবা বাড়ানোর কথা চিন্তাভাবনা তো হচ্ছেই। এ ছাড়া শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে চলা হবে, এই আশ্বাস দিলে ধর্মীয় স্থান খোলারও অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এমনকি এক মাসের মধ্যে স্কুলও খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যার বিচারে রেড, অরেঞ্জ, গ্রিন জোনের সীমানা নির্ধারণ করার দায়িত্ব চতুর্থ দফার লকডাউনে রাজ্যের হাতেই তুলে দিয়েছিল কেন্দ্র।
সেইমতো অনেক রাজ্যেই গণপরিবহণে ছাড় দিয়েছে। এর মধ্যেই ঘরোয়া উড়ানেও ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। ফলে এখন যা পরিস্থিতি, তাতে লকডাউন সংক্রান্ত কড়াকড়ির বদলে ছাড়ই যে বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। সূত্রের খবর, কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে ছাড়ের মাত্রা বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করছে রাজস্থান, জম্মু-কাশ্মীর, ছত্তীসগঢ়, কেরল, তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি।
Post a Comment