করোনার প্রকোপ লিপস্টিক ব্যবসায় - The News Lion

করোনার প্রকোপ লিপস্টিক ব্যবসায়




  করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এখন সবার মুখে মাস্ক। আবার লকডাউনের জেরে আগের মতো বাইরে বেরনো বা উৎসব-অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ারও কোনও ব্যপার নেই। সব মিলিয়ে চরম মন্দার শিকার লিপস্টিক ব্যবসায়।  শুধু লিপস্টিক নয়, যে কোনো ধরনের প্রসাধন সামগ্রীতেই এখন আর ততটা টান নেই সাধারণ মানুষের। সাবান, হ্যান্ডওয়াশ বা স্যানিটাইজারটুকু মিললেই অনেকটা স্বস্তি। লকডাউনে আয় হারিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে পকেটেও। ফলে সাজুগুজুর দিকে ততটা গুরুত্ব দেওয়ার সময় নেই বিশ্ববাসীর।





 বিশেষ করে মুখ যখন ঢাকা থাকছে মাস্কে, তখন লিপস্টিক তো নিত্যদিনের তালিকা থেকে অনায়াসেই বাদ পড়েছে।  বাইরে বেরোলেই মাস্ক এখন বাধ্যতামূলক। লকডাউনের নিয়মকানুন আলগা হতেই বিভিন্ন সংস্থা কাজ শুরু করেছে। সেখানেও মাস্ক পরতেই হবে। স্বাভাবিক ভাবেই ন্যূনতম প্রসাধনীতেই কাজ চালিয়ে নিতে হচ্ছে। তবে লিপস্টিকের কদর না থাকলেও আদর বাড়ছে আই-মেকআপের। মাস্কে ঠোঁট ঢাকা থাকলেও চক্ষুসজ্জায় জোর দিচ্ছেন অনেকেই।  প্রসাধন প্রস্ততকারী সংস্থাগুলিও সে দিকেই জোর দিচ্ছে। করোনাভাইরাসে সংক্রমণের যা মতিগতি, তাতে স্পষ্ট ভাবেই বোঝা যাচ্ছে, ভাইরাস যদি নিয়ন্ত্রণেও আসে, মাস্ক এখনই সরবে না মুখ থেকে। 






ক্রেতার চাহিদার কথা ভেবে প্রসাধন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিও জোর দিচ্ছে আই-লাইনার, মাসকারা অথবা আই-শ্যাডোয়। বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নিয়ে ল’অরিয়েল, নাইকার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি সেই উদ্যোগই নিচ্ছে।  তবে প্রসাধন শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের কথায়, ভারতে আই-মেকআপের কদর বরাবরই বেশি। তাই বলে লিপস্টিকও যথেষ্ট বিকোয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রসাধনীর ৩৬ শতাংশ দখল করে রয়েছে আই-মেকআপ, অন্য দিকে ভারতীয় প্রসাধনী বাজারে লিপস্টিকের অংশীদারিত্ব প্রায় ৩২ শতাংশ।  তাঁদের মতে, খুব শীঘ্রই লিপস্টিকের বাজার ফিরে আসবে। আমরা সমাজবদ্ধ জীব। সামাজিকতা কখনই শেষ হওয়ার নয়। কোনো সংকট এলে বিকল্প পথের সন্ধান করে নিতে পারে মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই লিপস্টিক ফিরে আসবেই!  

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.