রায় দীঘির অবস্থান বিক্ষোভে অসুস্থ কান্তি
ত্রাণ বণ্টনের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা কান্তি গাঙ্গুলী। সত্তরোর্ধ এই প্রবীণ নেতার সুস্থতা কামনায় উদ্বেগের রাত পার করছেন সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের জনগণ। বিভিন্ন বামপন্থী সোশাল সাইটে কান্তিবাবুর অসুস্থতার ছবি ছড়িয়েছে।
দেখা গিয়েছে হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে তিনি প্রবল গরম ও করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাতেই মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লক আধিকারিকের দফতরের সামনে জমায়েত করেন। সেখানে আমফানে সবকিছু হারানো মানুষরা ঘেরাও করেন। তাঁদের দাবি, ত্রিপল ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হোক দ্রুত। আর এই ঘেরাও চলাকালীন গরমে অসুস্থ হয়ে যান কান্তি গাঙ্গুলী। তিনি মাটিতেই শুয়ে পড়েন। মুহূর্তে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। আরও ক্ষুব্ধ হয়ে যান বিক্ষোভকারীরা।
স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক ও সাংসদদের দেখাই মেলেনি বলে অভিযোগ। এদিকে আমফানের সতর্কতা পেয়েই মথুরাপুর, রায়দিঘির বিস্তির্ণ এলাকা ঘুরে ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে নেমে পড়েছিলেন বর্ষীয়ান বাম নেতা। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে তছনথ হওয়া এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে দল এবং নিজের উদ্য়োগে ত্রাণ বিলি ও বাঁধ মেরামতির কাজে নেমে পড়েন কান্তিবাবু। দীর্ঘ তিন দশকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই তিনি শুরু করেছিলেন কাজ।
সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারে কাছে চিঠি লিখে আবেদন করেন, তাঁর অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করার। কান্তিবাবুর অভিযোগ, সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি সরকার। আমফানের হামলার পরেই বিচ্ছিন্ন মৌসুনী দ্বীপেও পৌঁছে যান কান্তি গাঙ্গুলী। সেইসঙ্গে তিনি সতর্কবার্তা দেন, আসন্ন ভরা কোটালের আগেই ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত না করলে কৃষি জমি আরও লবণাক্ত হবে। আরও ক্ষতির মুখে পড়বেন সুন্দরবন এলাকার গ্রামবাসীরা। দ্রুত ত্রাণ পাঠানোর দাবিও তোলেন। ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে অর্থ সাহায্য চেয়ে আবেদন করেন। এই অবস্থার মাঝেই গত দুদিন ধরে বাঁধ মে রা মতিউর কাজ দেখেছেন কান্তি বাবু। বুধবার তিনি অসুস্থ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকাবাসীর ক্ষোভ ফেটে পড়েছে
Post a Comment