করোনা চিকিৎসায় বিস্ময়কর সাফল্য দেখছে বাংলাদেশি গবেষক! - The News Lion

করোনা চিকিৎসায় বিস্ময়কর সাফল্য দেখছে বাংলাদেশি গবেষক!





ঢাকা প্রতিনিধিঃ       করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় রোগীদের ওপর দুটি ওষুধ প্রয়োগে সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের চিকিৎসক ডা. তারেক আলম। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ওষুধ নিয়ে গবেষণার খবরে বাংলাদেশ যেমনি আশার আলো দেখে, বাংলাদেশেরই একদল চিকিৎসক বিশ্বকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন ঠিক সেভাবে; পুরনো দুটি ওষুধের সম্মিলিত ব্যবহারে।

দেশের প্রথম বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম করোনা পজেটিভ হওয়া ৬০ জন রোগীকে গত কয়েক সপ্তাহে চিকিৎসা দিয়েছেন। এতে ভালো ফল এসেছে। তবে ওষুধগুলো নিয়ে তারা কোনো ধরনের গবেষণা করেননি বলে জানিয়েছেন।





অধ্যাপক ডা. তারেক আলম তার একজন সহযোগী চিকিৎসককে নিয়ে প্রায় দেড় মাসের গবেষণায় করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় পেয়েছেন নতুন আশার আলো। তিনি এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানান, তারা অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন ইভারমেকটিনের সিঙ্গল ডোজের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন প্রয়োগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মাত্র তিন দিনে ৫০ শতাংশ লক্ষণ কমে যাওয়া আর চার দিনে করোনা ভাইরাস টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ আসার বিস্ময়কর সাফল্য পেয়েছেন।





ডা. তারেক আলম বলেন, এটি আমাদের কাছে রীতিমতো বিস্ময়কর লেগেছে। আরও আগে যদি আমরা ওষুধ নিয়ে কাজ করতাম, তবে এতোদিনে হয়তো অনেককে হারাতে হতো না।

এই ওষুধ দুটি এর আগেও সার্স মহামারির সময় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‌‘আমি নিশ্চিত করেই বলছি, এই ওষুধ দুটির সম্মিলিত ব্যবহারে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অন্য দুটি ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ও রেমডিসিভিরের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ফল পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে এই ওষুধ নিয়ে ভারতে গবেষণা শুরু হয়েছে। আমরা বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬০ জন রোগীর ওপর গবেষণা করেছি। তাতে আমরা এই সাফল্য পেয়েছি। আমাদের গবেষণার আওতায় ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ওষুধ দুটির সফল স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে।

সম্মান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই গবেষণায় অধ্যাপক ডা. তারেক আলমের সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ডা. রুবাইয়ুল মোরশেদসহ অন্যরা সহযোগিতা করেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.