লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করেছেন তো ? মহিলাদের কাছে গিয়ে খোজ নিলেন জেলা শাসক
দি নিউজ লায়নঃ লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করেছেন তো ? মাটি সৃষ্টি প্রকল্পে একশো দিনের কাজ করতে আসা মহিলাদের কাছে গিয়ে খোজ নিলেন জেলা শাসক রাহুল মজুমদার। শনিবার সকালে পুরুলিয়ার মানবাজার এক ব্লকের কাড়াধরা গ্রামের অদুরে মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে কাজের পরিদর্শনে গিয়েছিলেন জেলা শাসক। সেখানে আসা মহিলাদের কাছে জানতে চান। তবে এলাকার মহিলারা উত্তরে জানিয়ে দেন তারা সকলে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম জমা করেছেন। এদিন জেলা শাসক রাহুল মজুমদার বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মহিলারা লক্ষী ভান্ডার ফর্ম জমা করেছেন কি তা খোজ নিলা। সামনে দুয়ারের শিবির শেষ হতে চলছে। কেউ ফর্ম জমা না করে থাকলে এখনো সময় আছে তা বলা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই জেলায় ৪ লক্ষ ৬০ হাজার লক্ষীর ভান্ডারের ফর্ম জমা পড়েছে।
“এদিন তিনটি ব্লক এলাকার মাটির সৃষ্টির কাজ ঘুরেদেখেন। পাশাপাশি তিনটি ব্লক এলাকার ভ্যানসিন ক্যাম্পেও ঘুরে দেখেন তিনি।এদিন মানবাজার ১ব্লকের গ্রামীন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্যাকসিন সেন্টারে ঘুরে দেখেন। সেখানে ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষজন যাতে কোন সমস্যার মুখে পড়তে না হয় তার জন্যব্লক প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এরপরেই মানবাজার ২ব্লকের বারী শবর পাড়াতে মাটির সৃষ্টিতে প্রকল্পেরকাজ দেখেন।
এদিন মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে ফলের বাগান তৈরির জন্য সেখানে ১২০০ আম গাছলাগানো হয়েছে। এদিন তার সুচনা করেন জেলাশাসক। পাশাপাশি চাষীদের হাতে বিভিন্ন বীজ তুল দেন। সেখান থেকে বারী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেভ্যাকসিন সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে সৃজন টিলা ওঠাকুর টিলার মাটির সৃষ্টির প্রকল্পের কাজ ঘুরেদেখেন। এদিন সঙ্গে ছিলেন এসডি (মানবাজার)শুভজিৎ বসু সহ অন্যা ন্য আধিকারিকরা। এদিনবিকেলে বরাবাজারে মাটির সৃষ্টির কাজ ঘুরে দেখেনজেলা শাসক। ব্লকে মিটিং হলে মহকুমা প্রশাসনেরআধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

Post a Comment