বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎকে তুলোধনা কলকাতা হাইকোর্টের
দি নিউজ লায়নঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা কখনোই দুষ্কৃতী নয়। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে পড়াশোনা করে দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে। পড়ুয়াদের সাথে কখনোই অভিসন্ধি মূলক, প্রতিহিংসার রাজনীতি করা যাবে না-বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে তীব্র ভৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বুধবার পাকাপাকিভাবে হাইকোর্ট বিশ্বভারতীর তিনজন পড়ুয়ার বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে খারিজ করে দিল। এরপর আর কোন বাধা রইলো না পঠন-পাঠন শুরু করতে। বিচারক উপাচার্যকে পরামর্শ দিয়েছেন,সহনশীলতার সঙ্গে তিনি যেন উপাচার্য সুলভ আচরণ করেন ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে।
আদালত রায় দিতে গিয়ে আরো বলেছে , বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক- অধ্যাপকদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে উপাচার্যকে। কি কারনে কোন পরিস্থিতিতে তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে পরিষ্কার করে জানাতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে একইসঙ্গে বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক অধ্যাপকদের বিষয় এখন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য কি সে বিষয়ে পরিষ্কার জানাতে হবে উপাচার্যকে এরপর আদালত ঠিক করবে এই সিদ্ধান্ত গুলিকে বলবৎ রাখা হবে না সেগুলো খারিজ করা হবে। আদালতের রায় ঘোষণার পর উল্লাসে মেতে ওঠে বিশ্বভারতী ছাত্রছাত্রীরা।
বহিষ্কৃত ছাত্র পাকাপাকিভাবে হাইকোর্ট তাদের তিনজন পড়ুয়ার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কে তুলে দিল।এরপর আর কোন বাধা রইলো না পঠন-পাঠন শুরু করতে। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের অপদার্থতা ঢাকতে, স্বেচ্ছাচারী শাসন ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে, উপাচার্যের অন্যায়ের প্রতিবাদ করা তিন পড়ুয়াকে ইচ্ছাকৃত বহিষ্কার করেছিলেন। আশ্রমিক সুবোধ মিএ বলেন , বলেছিলাম অপশাসনের বিনাশ হবেই। পড়ুয়ারা লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায় নি। দাঁত চেপে লড়াই করেছে। ওদের লড়াই করে কূর্ণিশ। এবার উপাচার্য কে গুরুদেবের পূণ্যভূমি থেকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করার জন্য নতুন লড়াই শুরু করতে হবে।

Post a Comment