এবার পুজোয় মুখে হাসি ফুটল তাঁতিদের, কেণ?
দি নিউজ লায়নঃ করোনার জেরে গত বছর মাটি হয়ে গিয়েছিল পুজোর বাজার। এবার পুজোতেও করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার কথা। সমুদ্রগড়, ধাত্রীগ্রামের তাঁতিরা তাই এ বারও সংশয়ী ছিলেন পুজোর বাজার নিয়ে। এরই মধ্যে কিছুটা আশার আলো দেখা গেল রবিবার। ইঙ্গিত মিলল, ছবিটা হয়তো বদলাচ্ছে। এ দিন সমুদ্রগড়ের তাঁতহাটে ক্রেতাদের ভিড়ে পুজোর বাজারের চেনা দৃশ্য অনেকখানি ফিরেছে। মুখে হাসি ফুটেছে তাঁতিদের।
পুজোর বাজার এ ভাবে চললে বেহাল তাঁতশিল্পে কিছুটা অক্সিজেন মিলবে বলে আশা করছেন তাঁতিরা। কালনা, ধাত্রীগ্রাম, সমুদ্রগড়, নসরতপুর, শ্রীরামপুর ইত্যাদি এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তাঁতের সঙ্গে জড়িত। দোকানের তুলনায় হাটে কিছুটা কম দামে শাড়ি পাওয়া যায় বলে অনেক সাধারণ ক্রেতা পুজোর বাজার সারেন তাঁত হাট থেকে।
রবিবারের দৃশ্য দেখে এ বছর অন্তত অতখানি প্রভাব পড়বে না বলে আশা করছেন তাঁতিরা। সমুদ্রগড় গণেশচন্দ্র কর্মকার তাঁত কাপড়ের হাটের শাড়ি বিক্রেতা শঙ্কর মণ্ডল রবিবার বলেন, 'আজ হাটে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। গত বছর বাজার বেশ খারাপ ছিল।এ বারও সেই আশঙ্কায় ছিলাম। কিন্তু আজ বাজারে ক্রেতাদের ভিড় দেখে আমরা অনেকটা আশাবাদী।

Post a Comment