কলকাতার পুজোয় সিংহলী ছোঁয়া! আসছে মহালয়া, পুজোর পুলক বাঙালির হৃদয়
দি নিউজ লায়নঃ ‘মানিকে মাগে হিঠে’ আট থেকে আশি এখন মজেছে সিংহলী এই গানে। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁয়েছে ইওহানি ডি’সিলভার মিষ্টি প্রেমের গানটি। ইতিমধ্য্যেই বাংলা থেকে হিন্দি, এবং দক্ষিণের নানা ভাষায় গানটি রিমেক বানিয়ে গাওয়া হয়েছে। সেগুলিও জনপ্রিয় হয়েছে একে একে। ফলে কলকাতার দুর্গাপুজোর মতো বিশ্বমানের উৎসবে এই গান বাজবে না, তা আবার হয় নাকি? না, হয়ও নি। এ বারে কলকাতার পুজোতেও লাগতে চলেছে সিংহলী ছোঁয়া। অতিমারী আবহে মা দুর্গাকে এই গানের বাংলা রিমেক গেয়েই স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে অর্জুনপুর আমরা সবাই ।
অতিমারী এখনও বিদায় নেয়নি। ফলে পুজো কীভাবে হবে, আর হলেও কীভাবে সকলকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব সব মিলিয়েই নানা ভাবনা চিন্তা চলছিলই। সম্প্রতি সিংহলী গানটি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছয়, তারপরেই ক্লাব কর্তারা ঠিক করেন, এই জনপ্রিয় গানটিকে হাতিয়ার করেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাবেন তাঁরা। কিন্তু একেবারে সিংহলী গানটি ব্যবহার করা হচ্ছে না। ইওহানি ডি’সিলভার গানের বাংলা রিমেক তৈরি করেছে চার যুবক-যুবতী।
করোনা থেকে মানুষকে সচেতনতার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সেই গানই বাজবে অর্জুনপুর আমরা সবাইয়ের পুজো মণ্ডপে। হ্যাঁ, একেবারে এমনতাই ঘটতে চলেছে। এমনই অভিনব ভাবনা ক্লাব কর্তৃপক্ষের। ক্লাবের সভাপতি মৌসুমি নস্কর বলেন, ‘মানিকে মাগে হিঠে’ বদলে, সেখানে হয়ে যাবে, ‘যেন পারি দুখ সইতে, আরও আরও কষ্ট নিতে পারি, অতিমারী, না হারি, ও মা।’ সংগীত পরিচালক সুমন সরকার রিমেকে ঢাক, কাঁসর-ঘণ্টা ব্যভার করে পুজোর আবহ ধরার চেষ্টা করেছেন। সুমনের স্টুডিওর চার শিল্পী শ্রুতি মিত্র, অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরিন সেনগুপ্ত এবং সুপর্ণ ভৌমিক গানটি গেয়েছেন।’ উল্লেখ্য, ৪৮ বছরে অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাবের পুজো প্রাঙ্গন সাজিয়ে তুলবেন শিল্পী ভবতোষ সুতার। প্রতিমাও রূপ পাবে তাঁর হাতেই।

Post a Comment