‘রাক্ষুসে বাড়ি’র রাক্ষসী পুজো - The News Lion

‘রাক্ষুসে বাড়ি’র রাক্ষসী পুজো

 


দি নিউজ লায়নঃ   চন্দননগর নীচুপট্টি রাধাগোবিন্দ বাড়িতে কৃষ্ণকে বধ করতে আসা রাক্ষসী পুতনার পুজো। তারকা সূর্পণখা হিড়িম্বা পুতনা রামায়ণ মহাভারত পুরানে হরেক রাক্ষুসীদের পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু তাদের পুজো হচ্ছে এমন খুব একটা দেখা যায় না।লক্ষ্মণ সূর্পণখার নাক কাটায় লঙ্কা কান্ড হয়েছিল আবার তারকা বধ করেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র। শ্রীকৃষ্ণকে বধ করতে পুতনার সাহায্য নিয়েছিল কংস হিড়িম্বকে বধ করে হিরিম্বাকে বিবাহ করেছিলেন ভীম। এমন অনেক কাহিনী রাক্ষসদের নিয়ে রয়েছে।রাক্ষস কুলকে মূলত মনুষ্যকুলের শত্রু হিসাবে মনে করা হয়। যদিও চন্দননগর এই বাড়িতে জন্মষ্টমীতে রাক্ষুসীর পুজো হয়।




 চন্দননগরে রাধাগোবিন্দ বাড়ি ‘রাক্ষুসে বাড়ি’ নামে খ্যাত। এখানে রাধাগোবিন্দের মন্দিরে রাক্ষুসীর অধিষ্ঠান। কংস কৃষ্ণকে মারতে পুতনাকে পাঠিয়েছিল। কৃষ্ণকে স্তন পান করিয়ে মারার চেষ্টা করেছিল পুতনা। সেই মূর্তিই প্রতিষ্ঠা হয় চার পুরুষ আগে, চন্দননগর অধিকারী বাড়িতে। গৌর অধিকারীর দাদু স্বপ্নাদৃষ্ট হয়ে রাক্ষুসী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। নীচুপট্টি অধিকারী বাড়ির মন্দিরে ঢুকলেই চোখে পড়বে রাক্ষুসী মূর্তি, মনে হবে তার চোখ দুটো জ্বলছে। 


বড় বড় দুটি দাঁত বেরিয়ে রয়েছে। দেখলে ভয় লাগে। যদিও তার ভক্তি ভরে পুজো হয়। মন্দিরে ভিতরে রাধাগোবিন্দ, জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রার অধিষ্ঠান। প্রতিদিন নিত্য পুজো হয় তিন বেলা, সঙ্গে ভোগও হয়। রাক্ষুসী বাড়ির পরিচিতি হওয়ায় অনেকেই দেখতে আসেন।তবে জগদ্ধাত্রী পুজো ও রথের সময় সবথেকে বেশি লোক সমাগম হয়। সেই রাক্ষুসী মন্দিরের বর্তমানে ভগ্নদশা।প্রশাসনের কাছে সংস্কারের দাবী জানিয়েছে অধিকারী পরিবার।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.