ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন সুব্রত মুখার্জি ও সৌমেন মহাপাত্র - The News Lion

ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন সুব্রত মুখার্জি ও সৌমেন মহাপাত্র

 


দি নিউজ লায়নঃ সোমবার ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এখানকার মানুষের জল যন্ত্রণার জন্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই দায়ী করলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি ও সৌমেন মহাপাত্র । কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ও বিভিন্ন জলাধার থেকে ছাড়া জলে শীলাবতী , ঝুমি , তমাল নদী ফুলে ফেঁপে  উঠে ভাসিয়ে দিয়েছে ঘাটালের এপ্রান্ত থেকে সেপ্রান্ত । একই অবস্থা হয়েছে কেশপুর , দাসপুর , চন্দ্রকোনার । ঘাটালের মহকুমা শাসকের কার্যালয় , ঘাটাল সাব জেল , ঘাটাল থানা থেকে ঘাটাল কলেজ ,ঘাটাল হাসপাতালে সহ বন্যার জল ঢুকতে কোথাও বাকি নেই। বিদ্যাসাগর হাইস্কুলে উঠে এসেছে  মহকুমা শাসকের কার্যালয় । থানার কাজকর্ম চলছে একটি ভাড়া বাড়িতে ।ঘাটাল জেলে থাকা বন্দীদের স্থানান্তর করা হয়েছে মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলে ।


সোমবার স্পিড বোটে চড়ে সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র , পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জী,জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা , সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি , বিধায়ক দিনেন রায় ও মমতা ভুঁইয়া, ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শংকর দোলাই, ঘাটাল পঞ্চায়েত  সমিতির  সহ সভাপতি  দিলীপ মাজি কে নিয়ে ঘাটালের বন্যা কবলিত আজবনগর , বলরামপুর , দাসপুরের রাজনগর , নিজ নাড়াজল এলাকা ঘুরে দেখেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী।

দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন । তাঁদের দুঃখ দুর্দশার কথা শোনেন ।


দুমাসের মধ্যে দুবার ঘাটাল বাসীকে বন্যার কবলে পড়তে হওয়ার জন্য ঘাটাল মাস্টার  প্ল্যান  না হওয়া   এবং   কেন্দ্র সরকারের অনীহাকেই দায়ী করেছেন  রাজ্যের পঞ্চায়েত  মন্ত্রী সুব্রত  মুখার্জি । তিনি জানান , ২০১১ সাল থেকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়নের জন্য কেন্দ্রের কাছে লাগাতার দরবার করে আসছে রাজ্য সরকার ।ইউপিএ সরকার উদ্যোগ নিলেও ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে বাংলার বরাদ্দ ও উন্নয়নে কাটছাঁট করে চলছে । 


রাজ্যের বকেয়া টাকাই দিচ্ছে না । তবুও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামর্থের মধ্যে বাংলার উন্নয়ন করে চলেছেন ।এবারের বন্যা বড় আকার নিয়েছে । রাজ্য সরকার সব রকমের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে । বহু মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে । কয়েক লক্ষ পানীয় জলের পাউচ দেওয়া হয়েছে । পঞ্চায়েত দপ্তর , সেচ দপ্তর সহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মী , আধিকারিকরা  রাতদিন এক করে কাজ করছেন  ।

রাজ্যের সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানান , বড় নদীবাঁধ ভাঙেনি ।এক্স জামিনদারী বাঁধ গুলি ভেঙেছে । ১৭ টি বাঁধ ভেঙেছে । সেচ দফতরের কর্মীরা এগুলি মেরামতের কাজ করছেন । কেন্দ্র সরকার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়নে মানবিক হলে বার বার এভাবে ঘাটাল , দাসপুর , চন্দ্রকোনার মানুষকে বন্যার কবলে পড়তে হত না ।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.