বন্যা পরিস্থিতির উন্নত আমতা উদয়নারায়নপুরে
দি নিউজ লায়নঃ উদয়নারায়নপুরের পাশাপাশি আমতা ২ নং ব্লকের বন্যা পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নতি হচ্ছে। যদিও দুটি ব্লকের বেশ কয়েকটি জায়গা এখনো জলমগ্ন হয়ে থাকায় এইসব এলাকার মানুষের দুর্ভোগ একটুও কমেনি। অন্যদিকে রবিবার ডিভিসির ছাড়া জল সোমবার বিকালে উদয়নারায়ণপুরের ঘোলা মসজিদতলা এলাকা দিয়ে ঢুকলেও সেভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।
হাওড়া জেলার বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। বিশেষ করে আমতার দ্বীপাঞ্চল ভাটোরা ঘোড়াবেড়িয়া চিৎনান গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি থলিয়া বিনোলাকৃষ্ণবাটি, ঝিকিরা, ঝামটিয়া অমরাগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে জল নামতে শুরু করায় খুশির হাসি দেখা দিয়েছে এইসব এলাকার মানুষদের মুখে। অন্যদিকে গাজীপুর নারীট বারগাজীপুর, নওপাড়া, মহিষামুড়ি কলবাশ এলাকা এখনও জলমগ্ন হয়ে থাকায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে এই সব এলাকার মানুষ। কোথাও এক কোমর আবার কোথাও বুক পর্যন্ত জল ঢেলে মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এইসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ ব্লকের অন্যান্য জায়গার তুলনায় এইসব জায়গা অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় পাশাপাশি জল বের হওয়ার বিকল্প কোন জায়গা না থাকায় দীর্ঘদিন এইসব এলাকা জলমগ্ন হয়ে থাকে। অপরদিকে মঙ্গলবার বন্যা কবলিত আমতা পরিদর্শন করতে আসেন সংসদ সাজদা আহমেদ। এদিন তিনি এলাকার বিধায়ক সুকান্ত পাল কে সঙ্গে নিয়ে ঝিকিরা নারীট ও গাজীপুর এলাকা পরিদর্শন করেন। এদিন তিনি দুর্গত এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী রান্না করা খাবার তুলে দেন। এদিন বন্যা দুর্গত এলাকার মহিলাদের প্রয়োজনে বিধায়কের উদ্যোগে ১৪ হাজার স্যানিটারি ন্যাপকিন বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়।
অন্যদিকে উদয়নারায়নপুরের বন্যা পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে। একাধিক এলাকা থেকে জল নেমে যাওয়ার পাশাপাশি রাস্তা থেকে জল নেমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। যদিও উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ বিধিচন্দ্রপুর, গজা, বেনাগুড়ি,বড়দা এলাকায় এখনও জলমগ্ন হয়ে থাকায় সমস্যায় পড়েছে এইসব এলাকার মানুষ। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সব এলাকায় ত্রাণ সামগ্রীর পাশাপাশি রান্না করা খাবার পাঠানো হচ্ছে। উদয়নারায়নপুরের বিধায়ক সমীর পাজা জানান কয়েকটি এলাকা জলমগ্ন থাকলেও বাকি এলাকার পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হলে এবং ডিভিসি জল না ছাড়লে দু-একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিধায়ক সমীর পাঁজা।

Post a Comment