ডিভিসির মাইথন, পাঞ্চেত থেকে ক্রমাগত জল ছাড়া হচ্ছে - The News Lion

ডিভিসির মাইথন, পাঞ্চেত থেকে ক্রমাগত জল ছাড়া হচ্ছে

 


দি নিউজ লায়নঃ   গত পয়লা আগস্টই চিন্তা বাড়িয়ে পাঞ্চেত থেকে ১ লক্ষ কিউসেক হারে জল ছেড়েছিল ডিভিসি। সেই জল হাওড়া সহ বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তারপরেও জল ছাড়া বন্ধ করেনি ডিভিসি। বুধবারেও মাইথন থেকে ২০ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ডিভিসিকে দায়ী করেছেন।

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে ডিভিসির মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধারে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের দিকেও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় সেই জল এসে জমা হয়েছে পাঞ্চেত এবং মাইথনে। যার ফল ভুগতে হচ্ছে বাংলাকে। পয়লা আগস্ট থেকে রোজই  পাঞ্চেত এবং মাইথন জলাধার থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছে। পয়লা আগষ্ট এক লক্ষ কিউসেক হারে জল ছাড়া শুরু করে পাঞ্চেত জলাধার। আর যার ফলে কিন্তু বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েইছিল। পরে যা কার্যত বন্যার রূপ নেই দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলোয়। মাইথন, পাঞ্চেত জল ছাড়লে তা চাপ সৃষ্টি করে দুর্গাপুর ব্যারেজের উপর। কারন ওই জল গিয়ে জমা হবে দুর্গাপুর ব্যারেজে। দুর্গাপুর ব্যারেজ তখন জল ছাড়তে বাধ্য হয়। 

বুধবারেও জল ছাড়া বন্ধ হয়নি মাইথন পাঞ্চেতে। মাইথন থেকে ২০ হাজার কিউসেক হারে এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। বৃষ্টিও ক্রমাগত পড়ছে। ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যদিও ডিভিসির চিফ ইঞ্জিনিয়ার সত্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জল ছাড়ার সমস্ত তথ্যই রাজ্য সরকারের কাছে আপডেট থাকে। সুতরাঙ রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের সেচ দফতরের দাবি, যত দিন যাচ্ছে ডিভিসির বিভিন্ন ব্যারেজের নাব্যতা ক্রমশ কমছে বারবার বলার পরও ঠিকমতো ড্রেজিং হচ্ছে না। ফলে জল ধারণ ক্ষমতা কমছে বর্ষার মরসুমে যখন ভারী বৃষ্টি হচ্ছে তখন অত্যন্ত বেশি পরিমাণে জল ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে যার ফলে বিপদে পড়ছে বাংলা এর ওপর যদি ঝাড়খন্ডে বৃষ্টিপাত বেশি হয় তাহলে বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.