মোটা টাকার বিনিময়ে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়ার অভিযোগ
দি নিউজ লায়নঃ মোটা টাকার বিনিময়ে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা খাটুরা হাইস্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এই অভিযোগ তুলে উত্তেজিত ছাত্ররা স্কুলের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন।পরে গোবরডাঙা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, ছাত্র ও অভিভাবকদের একাংশ স্বইচ্ছায় টাকা দিয়ে গিয়েছেন।কাউকেই এই নিয়ে চাপ দেওয়া হয়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ২২জুলাই গোবরডাঙা খাটুরা হাইস্কুলের উচ্চমাধ্যমিকে পাস করা ছাত্রদের মার্কশিট দেওয়া হয়।
অভিযোগ প্রত্যেক ছাত্রকে স্কুল উন্নয়নের জন্য ৫০০টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। অনেক ছাত্র টাকা নিয়ে স্কুল না আসায় বিপাকে পড়েন। যারা টাকা আনেনি তাঁদের মার্কশিট দেওয়া হবেনা ফতোয়া জারি করেন বলেই অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজিত ছাত্ররা স্কুলে তীব্র বিক্ষোভ শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে শেষপর্যন্ত ঐদিন স্কুল কর্তৃপক্ষ মার্কশিট দিয়ে দেয়। এরপর ২ আগস্ট স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তবে ওই সার্টিফিকেট শুধুমাত্র অভিভাবকদের দেওয়া হবে বলে জানানো হয় স্কুলের পক্ষ থেকে ।
শুধু তাই নয়, স্কুল উন্নয়নের জন্য ৫০০টাকা করে নিয়ে আসার কথাও বলা হয়েছে। এদিন অনেক অভিভাবক টাকা দিয়ে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট নিয়ে যান। কিন্তু বাড়িতে অভিভাবক না থাকায় অনেক ছাত্র নিজেরাই স্কুলে আসে। তাঁদের প্রথমে স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হলেও ৫০০টাকা ছাড়া ওই সার্টিফিকেট দেওয়া হবেনা বলে জানায় স্কুল কতৃপক্ষ। এই নিয়ে ছাত্ররা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। খবর পেয়ে গোবরডাঙা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এদিন অভিভাবকদের থেকে টাকা নিয়ে রসিদ দেওয়া হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, স্কুলের লাইব্রেরি ফিজ,সরস্বতী পুজোর চাঁদার মতো অনেক খাতে টাকা নেওয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রী থেকে অবিভাবকদের অভিযোগ করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ রয়েছে। অনেক ছাত্রের অবিভাবক কাজ হারিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই সময় স্কুল কর্তৃপক্ষ জোর করে টাকা নিচ্ছেন।স্কুলের প্রধান শিক্ষক দেবাশিষ মুখোপাধ্যায় বলেন স্কুল উন্নয়নের জন্য অভিভাবকরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী স্ব-ইচ্ছায় টাকা দিয়েছেন। জোর করে কারোর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।

Post a Comment