ভারতকে হুঁশিয়ারি দিল তালিবান - The News Lion

ভারতকে হুঁশিয়ারি দিল তালিবান




দি নিউজ লায়ন ; আফগানিস্তানে তালিবানরা ক্রমশ প্রায় গোটা দেশকে দখল করার পথে এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে তারা আফগানিস্তানের ১৮ টি প্রদেশে দখল করে ফেলেছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এরকম চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই গোটা আফগানিস্তান দখল করে নেবে তালিবানরা। জটিল এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরফ গনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে চলেছেন। 


 আফগানিস্তানের একের পর এক এলাকা দখল করছে তালিবান। সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে ভারত যদি আফগানিস্তানকে সাহায্য করার জন্য সেনা পাঠায় তা হলে ভাল হবে না বলে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিল তালিবান। তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন বলেন, ‘‘সেনার ভূমিকা বলতে আপনারা কী বলতে চাইছেন? যদি ভারতীয় সেনা আফগান সেনাকে সাহায্য করার জন্য আসে তা হলে সেটা তাদের জন্য ভাল হবে না। 


আফগানিস্তানে অন্য দেশের সেনাদের সঙ্গে কী হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে। তারা এলে আগে থেকে সব জেনেই আসবে।’’ তবে সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের মানুষের জন্য ভারতের অবদানের প্রশংসাও করেছেন শাহীন। তিনি বলেন, ‘‘আফগানিস্তানের মানুষের জন্য সেতু নির্মাণ, পরিকাঠামোর উন্নতিতে অনেক সাহায্য করেছে ভারত। এতে এখানকার অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে। এই ভূমিকার আমরা প্রশংসা করছি।’’ আফগানিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে থেকে নিজেদের নাগরিকদের বার করার কাজ করছে অনেক দেশ। তার মধ্যে ভারতও রয়েছে। 


যদিও কূটনৈতিক ব্যক্তিদের কোনও ক্ষতি হবে না বলেই জানিয়েছেন শাহীন। তিনি বলেন, ‘‘দূতাবাস ও কূটনৈতিক ব্যক্তিদের কোনও ক্ষতি আমরা করব না। আমরা তাদের নিশানা করব না। আমরা সেটা জানিয়েও দিয়েছি। ভারত তাদের নাগরিকদের জন্য যে চিন্তা করছে সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমরা তাদের কিছু করব না।দিয়েছে। এদিকে, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার কুড়ি বছরের দিনই অফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করবে বলে ঘোষণা করেছে।  


ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর পর আমেরিকা আফগানিস্তানে গিয়ে তালিবানদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তার কারণ সন্ত্রাসবাদী ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল তালিবানরা। এবং আমেরিকার হুঁশিয়ারির পরেও তারা লাদেনকে তাদের হাতে তুলে দেয়নি। যার ফলে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসা তালিবানদের কয়েক বছরের মধ্যেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়। এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। এবারে পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে তাতে ফের আফগানিস্তানে তালিবান্দের শাসন কায়েম হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.