পরীক্ষা পদ্ধতি প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করল বিশ্বভারতী
দি নিউজ লায়ন; এক সপ্তাহ আগে পড়ুয়াদের সাসপেনশনের কারণ, পরীক্ষাবিধি, অধ্যাপক ও একাধিক অস্থায়ী কর্মীদের বদলি ও বরখাস্ত, বকেয়া বেতন মেটানো-সহ একাধিক বিতর্কিত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠায় ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন ইউজিসি। এবার তড়িঘড়ি পরীক্ষা পদ্ধতি প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে নোটিশে বলা হয়েছে, ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষে শুধুমাত্র শেষ সেমেস্টারের অনলাইন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
অন্যান্য ক্ষেত্রে ইন্টারনাল পরীক্ষায় পাওয়া নম্বর ও আগের সেমেস্টারের পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে পরীক্ষার্থীদের। আগামী ২ অগস্টের মধ্যে প্রত্যেক বিভাগের পড়ুয়াদের ইন্টারনাল পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ সেমেস্টারের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।
একইসঙ্গে যে সব বিষয়ে ইন্টারনাল পরীক্ষা নেওয়া কোনও সুযোগ নেই, সেইসব কলা ভবন ও শিক্ষা ভবনের সমস্ত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অনলাইন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, যেসব পড়ুয়ারা অনলাইনে পরীক্ষা দিতে পারবেননা, তাঁদের জন্য কী পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে, সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। একইসঙ্গে যে তিনজন পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কী ভাবছে বা তাঁদের মূল্যায়ন পদ্ধতি কীভাবে হবে, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আরও এক বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সহ-অধ্যাপক-সহ অন্যান্য কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে।
একইসঙ্গে এমফিল বা পিএইচডি যাঁরা করছেন, তাঁদের পরীক্ষা আগামী ১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে পড়ুয়াদের সাসপেন্ড করা থেকে শুরু করে অধ্যাপকদের বরখাস্ত করার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পড়ুয়াদের থেকে শুরু করে অধ্যাপকদের একাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে একটি চিঠি মেল করা হয় ইউজিসিকে। সেই মেলের উপর ভিত্তি করেই ইউজিসি পাল্টা চিঠি পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয়কে।

Post a Comment