আজও এই কবির স্মৃতি আগলে গ্রামবাসীরা
দি নিউজ লায়ন; উনিশ শতকের দক্ষিনবঙ্গের সাধক কবি নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যাযয়ের গান আজও শোনা যায় কাঁকসা এবং লাউদোহা ফরিদপুর ব্লকের আনাচে কানাচে। জামবন এলাকায় নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায় এর সংগীতচর্চার গ্রামে আজও মাটির বাড়িতে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে নীলকন্ঠ কীর্তন সমাজের মানুষজন। সাধক কবি নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়ের সংগীত চর্চা ছিল ক্ষুদ্র গ্রাম দুর্গাপুরের কাঁকসার জামবনে বিভিন্ন স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এখনো সেই গ্রামে নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায় এর হাত ধরে গড়ে উঠা নীলকণ্ঠ কীর্তন সমাজ নামে কীর্তন দলের বন্ধ গান করোনা পরিস্থিতিতে,তবুও সাধক কবি নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়ের সংগীত ধারা অব্যহত রাখতে খড়ের ঘরের রীতিমত চলে কীর্তন নিয়ে রেওয়াজ ওই গ্রামে, বিভিন্নভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য সরকার নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে গড়ে উঠতে চলেছে মহাবিদ্যালয় রাজ্য সরকারের অনুপ্রেরণায়।
নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায় এর সেই গান-বাজনার স্মৃতি ধরে রাখতে জামবন এলাকায় খড়ের ঘরের মধ্যে কেনারাম গোপ এবং তার কীর্তন সম্প্রদায় সকাল সন্ধ্যা নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়ের গান করেন স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য। দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ধবনী গ্রামে ২৫০বছর আগে বসবাস করতেন সাধক কবি নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়। সাধক কবি ধবনীর পাশ্ববর্তী এলাকা জামবনে সংগীত শিখেছিলেন। তারপরেই ওই এলাকাতে কৃষ্ণযাত্রা গানের আসর বসাতেন। দূরদূরান্তের সংগীত প্রেমীরা ছুটে আসতেন কৃষ্ণ যাত্রা গান শেখার জন্য। সেখান থেকেই নীলকন্ঠ কীর্তন সমাজ গড়ে উঠেছিল জামবন গ্রামে।
সেগুলো অতীত হলেও নীলকণ্ঠ মুখোপাধ্যায়ের গানের ধারা অব্যাহত রাখতে আজও সঙ্গীত নিয়ে পরিচর্যা চলে ওই এলাকাতে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন্য বন্ধ কীর্তন গান। করোনা পরিস্থিতিতে দেড় বছর ধরে কীর্তন গান বন্ধ থাকায় যাতে করে রেওয়াজ হারিয়ে না যায় সে জন্য রীতিমতো বাড়িতে বসেই চলছে রেওয়াজ।কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত করমাধ্যক্ষ এবং প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সঞ্জয় মুখার্জী জানিয়েছেন শিল্পীরা রাজ্য সরকারের অনুপ্রেরণায় পাচ্ছেন ভাতা। তবে এখনো যে সমস্ত শিল্পীরা ভাতা পায় না তাদের দিকে ও নজরদারি রাখা হয়েছে এবং তাদের যাতে কোনো রকম সমস্যায় পড়তে না হয় সে জন্য রাজ্য সরকার সবসময়ই নজর রাখছে।

Post a Comment