কোভিড জড়া কাটিয়ে গাঁ ঝাড়া দিয়ে উঠছে ভোরের আলো, ৮০% পর্যটক বুকিং নিয়েই চলছে ভোরের আলো পর্যটন হাব - The News Lion

কোভিড জড়া কাটিয়ে গাঁ ঝাড়া দিয়ে উঠছে ভোরের আলো, ৮০% পর্যটক বুকিং নিয়েই চলছে ভোরের আলো পর্যটন হাব

 


দি নিউজ লায়ন:  কোভিড জড়া কাটিয়ে গাঁ ঝাড়া দিয়ে উঠছে ভোরের আলো। ৮০% পর্যটক বুকিং নিয়েই চলছে ভোরের আলো পর্যটন হাব।রাজ্যের কোভিড বিধিনিষেধ মেনেই আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত পর্যটন সমাগমেই থাকছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প গাজলডোবার ভোরের আলো। কোভিড বিধিনিষেধের কড়াকড়িতে দূরদেশের পর্যটকদের দেখা না মিললেও তার পরিবর্তে উত্তরের এপ্রান্ত কোচবিহার আলিপুরদুয়ার থেকে সে প্রান্তের মালদা, মুর্শিদাবাদ, রায়গঞ্জের স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি সর্বপরি কলকাতার পর্যটকেরা ঢুঁ মারছেন ভোরের আলোয়। 


ভোরের আলোর পর্যটন হাবের ম্যানেজার শান্তনু ঘোষাল জানান উত্তরবঙ্গে বর্ষার মরশুমে পর্যটক সংখ্যা একেবারেই কম থাকে। সে তুলনায় এখনও পর্যন্ত ৮০%বুকিং রয়েছে। তিনি জানান যেহেতু এবারে লকডাউনের সময়তেও বুকিং ওয়েবসাইট খোলা ছিল সেক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত ইকো কটেজগুলিতে বুকিং রয়েছে পর্যটকদের। 


তিনি বলেন ভোরের আলোয় কোভিড বিধিকে কঠোর ভাবে মান্যতা দিয়ে প্রায় একমাস পূর্বে প্রকল্পের পর্যটক পরিষেবার কাজে নিযুক্ত মোট ৩০জন কর্মীদেরই টিকাকরন করা হয়েছে। একইসঙ্গে পর্যটকদের কোভিড  নিরাপত্তার ওপর নজর দিয়ে কঠোর ভাবে নিষেধাজ্ঞা মেনেই কাজ চলছে যা ভোরের আলো প্রকল্পের প্রতি আস্থা জুগিয়েছে পর্যটকদের মনে। তবে এবারে আগাম বর্ষা হানা দেওয়ায় আগামী সপ্তাহের পর থেকে পর্যটক সংখ্যা কিছুটা কমবে বলেই আশঙ্কা। 


অন্যদিকে এবারে পাম্পিং স্টেশনের কাজ শুরু হওয়ায় পর্যটন হাবের পাঁচটি ইকো কটেজ সংলগ্ন এলাকায় জল জমায়েতের সমস্যা মিটে যাবে। এতে পর্যটকদের কাছে বর্ষার সময়েও একইভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে ভোরের আলো। পাশাপাশি তিনি জানান পর্যটন হাব ঘিরে প্রতিদিনই আশপাশে এলাকা সহ শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ির স্থানীয় পর্যটকদের যাতায়াত থাকে। পর্যটন দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জ্যোতি সরকার জানান এবারে কোভিড পরিস্থিতি কিছুটা স্তিতিশীল হতেই অন্যন্যা বছরের সঙ্গে তুলনায় এই মরশুমে স্বাভাবিক হারেই পর্যটকদের কাছে থেকে সাড়া মিলেছে। অন্যদিকে পর্যটকদের চোখে ভোরের আলোকে আরও আকর্ষণীয় ভাবে তুলে উপহার দিতে বাইসাইকেলিং ট্র্যাক, ওয়াকিং এভিয়েরি সহ নতুন করে আরও ছয়টি কটেজ নির্মাণের কাজ চলছে।


 তবে এখনই সম্ভব হচ্ছে না হাতি সাফারি। এ বিষয়ে ডেপুটি ডিরেক্টর জ্যোতি ঘোষ বলেন গত বছর থেকে লকডাউন ও কোভিডের বাড়বাড়ন্ত পরিস্তিতির জন্য বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে গিয়েছিল। হাতি সাফারি এখুনিই চালু করা সম্ভব নয়। কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে জোড় কদমে অন্যান্য প্রকল্পগুলির কাজ চলছে। পূর্ত দপ্তরের তরফে সিঙ্গেল স্ট্যান্ড স্টিল ব্রিজের কাজ চলছে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সেতুটি চালু হলে পর্যটকদের গাজোলডোবা বাঁধ পর্যন্ত যেতে হবেনা। গাজলডোবার মুখ্য সড়ক থেকে সরাসরি সংযুক্তকারী সেতু দিয়ে পর্যটন হাবের কেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন পর্যটকেরা।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.