ইয়াসের পর ভাল ফল করল মাধ্যমিকের ছাত্র ছাত্রীরা
দি নিউজ লায়নঃ গত ২৬ ও ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা তচনচ হয়ে যায়।নদীর বাঁধ ভেঙে নোনা জল ঢুকে প্লাবিত হয় গ্রামের পর গ্রাম।এমনকি নোনা জলের টানে ভেসে যায় বহু ঘরবাড়ি থেকে শুরু করে কৃষি জমি পুকুরে মাছ চাষে।তবে বর্তমানে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সুন্দরবন।ত্রাণ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়েছে সরকার থেকে শুরু করে বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষজন।
আর তারই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্য জুড়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হল।এদিন মাধ্যমিক রেজাল্ট ও সার্টিফিকেট নিতে সুন্দরবনের বিভিন্ন সরকারি স্কুলগুলিতে হাজির হয় ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবকরা স্বাস্থ্য বিধি নিয়ম কানুন মেনেই।সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রাম গুলিতে সরকারি স্কুলগুলিতে মাধ্যমিকে ভাল ফল করেছে ছাত্র ছাত্রীরা।ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে সব কিছু গ্রাস করেছিল সুন্দরবনের রায়দিঘী বিধানসভা কেন্দ্রের ডাকাতমারা গ্রামের বাসিন্দা মাধ্যমিকের ছাত্রী সাবিনা খাতুন,ঝড়খালি দুই নম্বর গ্রামের ছাত্রী সায়ন্তিকা গোলদার,ছাত্র বিবেকানন্দ গোলদার,ক্যানিংয়ের ছাত্র সাইদ গায়েন সহ কয়েকশো ছাত্র ছাত্রীর।
আর তারই মধ্যে কোভিডের কারণে অনলাইনে পড়াশুনা করে ভাল ফল করল সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামের ছাত্র ছাত্রীরা।সুন্দরবনের বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের ঝড়খালি অঞ্চলের হেড়োভাঙ্গা বিদ্যাসাগর বিদ্যামন্দির উচ্চ মাধ্যমিক হাইস্কুলের ছাত্রী সায়ন্তিকা গোলদার সে মাধ্যমিকে ৭০০ নম্বরে মধ্যে পায় ৬৭১ নম্বর,ছাত্র বিবেকানন্দ গোলদার পায় ৬৭০ নম্বর।সুন্দরবনের রায়দিঘি বিধানসভার ডাকাতমারা গ্রামের ছাত্রী সাবিনা খাতুন এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৬৮ নম্বর পেয়ে পাস করেছে। তার বিষয় ভিত্তিক ফলাফল বাংলা ৯৫, ইংরেজি ৯৪, অংক ৯৬, ভৌত বিজ্ঞান৯৮, জীবন বিজ্ঞান ৯৭ ইতিহাস ৯৪ এবং ভূগোল ৯৪। এবছর সে মথুরাপুর কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুল থেকে পাস করেছে।
বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশুনা করে ডাক্তার হতে চায় সে।ক্যানিং ডেভিড সেশুন হাইস্কুলের মাধ্যমিকের ছাত্র সাইদ গায়েন মাধ্যমিকের ৭০০ নম্বরের মধ্যে ৬৮৪ নম্বর পেয়ে নজির গড়ে তোলে।সে একজন ডাক্তার হতে চায়।এবছর ক্যানিং ডেভিড সেশুন হাইস্কুলে ২৩০ জন ছাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল।সব ছাত্র পাশ করে নজির গড়ে তোলে।ক্যানিং ডেভিড সেশুন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ কুমার ভকত বলেন এ বছর মাধ্যমিকে ২৩০ জন ছাত্র পরীক্ষার্থী ছিল।সকলেই পাশ করেছে।সাইদ গায়েন ৬৮৪ নম্বর পায়।সে খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল।

Post a Comment