ডাক্তারি পেশাকে সারাজীবনের জন্য বিসর্জন দিয়ে অভিনয়ের জগতে চলে আসেন এই অভিনেতা - The News Lion

ডাক্তারি পেশাকে সারাজীবনের জন্য বিসর্জন দিয়ে অভিনয়ের জগতে চলে আসেন এই অভিনেতা

 


দি নিউজ লায়ন;  সন্তান যদি ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার না হতে পারে, তাহলে আর পড়াশোনা করে কী লাভ! অনেক বাবা-মায়ের হয়তো লজ্জায় মাথা কাটা যাওয়ার জোগাড়। ঠিক এমন অবস্থাতেই বিশ শতকের ছয়ের দশকে ডাক্তারি পেশাকে সারাজীবনের জন্য বিসর্জন দিয়ে অভিনয়ের জগতে চলে আসা মানুষটি শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়।


শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৬ সালের ২৯ নভেম্বর হাওড়ার বালিতে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানকার জোড়া অশ্বত্থতলা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন হয়। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি চলে আসেন কলকাতায় শহরে। তার বাবা শৈলেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং মা মনিমালা দেবী।


ছোটবেলা থেকেই তিনি খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। যেহেতু তাঁর ঠাকুর্দা ছিলেন পেশায় একজন ডাক্তার, বাবার ইচ্ছানুসারে ডাক্তারি পড়ার জন্য ডাক পড়ল তার।


১৯৯১ সালে কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে।

১৯৬০ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়। তারপর সিভিল ডিফেন্স এবং কলকাতা পুরসভায় স্বাস্থ্যদপ্তরে চাকরি শুরু করেন। কিন্তু বেশিদিন মন টেকেনি।


ছাত্রাবস্থায় দেখেছিলেন শ্রীরঙ্গমে শিশির ভাদুড়ীর নাটক “মাইকেল মধুসূদন দত্ত”। তখন থেকেই হৃদয়ে অভিনয়ের বীজ বপন করে অভিনেতা হওয়ার স্বপনে মত্ত ! সেই কারণে অভিনয়ের প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ, করতেন উপভোগ। ডাক্তারি পড়তে পড়তেই IPTA বা গণনাট্য সংঘে যোগদান করেন। সেখানে তখন তাঁর শিক্ষক বা গুরু ছিলেন জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়।


১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রের জন্য ডাক পেলেন শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়। IPTA-র মঞ্চে তার অভিনয় দেখে পরিচালক মৃণাল সেন, তাঁর “আকাশকুসুম” ছবির জন্য

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.