দুর্ঘটনায় মৃত ৯ মৎস্যজীবী পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী
দি নিউজ লায়নঃ পুলিশ ও নৌ বাহিনীর যৌথ অভিযানে বুধবার গভীর রাতেই উদ্ধার করা হল দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলার হৈমবতী কে।এদিন ভোর রাতে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলার টি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসে প্রশাসন।উপকূলে নিয়ে আসার পর একে একে ৯ জন মৎস্যজীবী মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতরা হল শঙ্কর সাসমল, বুদ্ধদেব মাইতি, অনাদি সাসমল,নারায়ন সাসমল, গোপাল জানা, রবীন বর, অজিত বেরা, গৌতম পারুই, সন্তোষ মন্ডল এবং গৌরহরি দাস।
তবে এখনও পর্যন্ত ১ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ আছে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সুন্দরবন জেলা পুলিশ ও নৌ বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় আবারো তল্লাশি অভিযান চালানো হবে নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজে।এদিকে মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা। পাশা পাশি মৃত মৎস্যজীবীর পরিবার গুলি দ্রুত যাতে সরকারি সাহায্য পায় সেদিকে বিশেষ নজর দিয়েছে রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী।এমনকি মৃত ও নিখোঁজ মৎস্যজীবীর পরিবারের ছেলে কিংবা মেয়ের পড়াশোনার ভার নিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বুধবার ভোরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরে বন্দরে ফেরার পথে বকখালির রক্তেরশ্বরী চড়ের কাছে প্রচন্ড স্রোতের কারণে ১২ জন মৎস্যজীবী সহ উল্টে যায় এফবি হৈমবতী নামে একটি ট্রলার।১২ জন মৎসজীবি মধ্যে ২ জন মৎস্যজীবীকে নিরাপদে উদ্ধার করা গেলেও ১০ জন মৎসজীবি নিখোঁজ হয়েছিল।সুন্দরবন জেলা পুলিশ ও নৌ বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের খোঁজে গভীর সমুদ্রে চলে তল্লাসি অভিযান।নামখানার ১০ মাইল থেকে ট্রলার টিকে উদ্ধার করার জন্য। রওনা দেয় ১৪ টি মৎস্যজীবি ট্রলার।
প্রায় ১০ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় উদ্ধার করা হয় দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে। ট্রলারটিকে উপকূলে আনার পর ট্রলারের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ । ইতি মধ্যেই মৃত দেহ গুলি শনাক্ত করেছে পরিবারের সদস্যরা।পুলিশ দেহ গুলি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহাকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।আর এই ঘটনায় মৎস্যজীবী পাড়া গুলিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে কান্নার বিরহ।রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা বলেন ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করে নিয়ে এলে ট্রলারের ভিতর থেকে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ট্রলারটি তে ১২ জন ছিল।ট্রলারটি যেদিন ডুবে যায়, সেদিন আশপাশের ট্রলারের মৎস্যজীবীরা ২ জনকে উদ্ধার করে ছিল।তবে এখনও ১ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ আছে।যে কোন মৃত্যু দুঃখজনক।এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে নামখানা বিডিও অফিস ভবনে ট্রলার ডুবি মৃত মৎস্যজীবীর পরিবার গুলির হাতে ২ লক্ষ টাকা করে চেক তুলে দেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি,সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা,জেলা পরিষদের সভাধিপতি সামিমা সেখ,জেলা শাসক পি উলগানাথন।রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি জানান যে কোন মৃত্যু বেদনাদায়ক।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে ছিলেন মৃতের পরিবার গুলি কে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।ফলে ট্রলার ডুবি মৃত মৎস্যজীবীর পরিবার গুলির হাতে ২ লক্ষ টাকা করে চেক তুলে দেওয়া হল।

Post a Comment